February 4, 2026

আরামবাগ সভা থেকে সন্দেশখালির ‘স্টিং অপারেশনের’ কথা তুললেন.. তৃণমূল সুপ্রিমো!

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ : লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে কালীপুর মাঠে বুধবার মমতার সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী মিতালি বাগের সমর্থনে প্রচার করতে গিয়ে রেশনের চালের হিসাব দেন মমতা। মোদীকে আক্রমণ করে বলেন, ‘‘উনি প্রতি সভায় গিয়ে গিয়ে বলছেন, রেশনের চাল নাকি বিনামূল্যে দেন। মিথ্যা কথা! এত মিথ্যাবাদী প্রধানমন্ত্রী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার ভাবলে লজ্জা হয়।’’ বুধবার তিনি হাজির হয়েছিলেন আরামবাগে (Arambagh)। অপরূপা পোদ্দারকে ছেড়ে এবার এই আসনে মিতালি বাগকে দাঁড় করিয়েছে জোড়াফুল শিবির। আজ মিতালির সমর্থনে আয়োজিত সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপিকে নিশানা করার পাশাপাশি তৃণমূলের নেতা, কর্মীদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন দলনেত্রী! আজকের সভায় দাঁড়িয়ে সিপিএম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করেন মমতা। বলেন, ‘সিপিএমের হার্মাদেরাই বর্তমানে বিজেপি হার্মাদ হয়ে গিয়েছে। ওঁদের আমার থেকে ভালো আর কেউ চেনে না। গড়বেতা থেকে আরামবাগ অবধি সিপিএম মাটির নীচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে রেখেছিল। মানুষকে খুন করে সেখানে ফেলে দিত। তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যেত না’। এরপর নিজের দলের নেতা, কর্মীদের সম্বন্ধে তৃণমূল (TMC) নেত্রী বলেন, আমাদের কেউ যদি বদমায়েশি করে, তাহলে আমি তাঁকে থাপ্পড় মেরে তাড়িয়ে দিতে পারি। কিন্তু বিজেপি সেটা করবে না। সিপিএমের হার্মাদ এখন বিজেপিতে এসে গিয়েছে। টাকা দিয়ে ভোট কিনছে। বিজেপিকে আক্রমণের পর সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন মমতা। বলেন, ‘আমি ওনার নাম দিয়েছি প্রচারমন্ত্রী। ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবধি সব জায়গায় ওনার ছবি। শুধু নিজের প্রচার করতে ভালোবাসেন’। এদিনের সভা থেকেও এসএসসি মামলার সুপ্রিম-রায় নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপিকে ‘চাকরিখেকো বাঘ’ তকমা দিয়ে মমতা বলেন, ’২৬,০০০ ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিল। মাইনে ফেরত দিতে বলল। আমি সেদিন থেকে বলেছি, চিন্তা করবেন না, আমি পাশে আছি । মঙ্গলবার দুর্গাপুরে মিছিল করলেও মনটা সুপ্রিম কোর্টে পড়েছিল। কী রায় হয় সেটা নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। রায় শোনার পর মনটা স্নিগ্ধ, তৃপ্ত হয়ে গেল। এরা মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নেয়। এরা মানুষ না, দৈত্য’। সন্দেশখালি ‘স্টিং অপারেশন’ নিয়েও কথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, ‘সন্দেশখালিতে কেমন টাকার খেলা হয়েছে দেখলেন তো? মা-বোনেদের সম্মান যদি চলে যায়, তাহলে কি টাকা দিয়ে সেটা ফেরত আছে? এর বদলা চাই। ভোটের মাধ্যমে সন্দেশখালির বদলা হবে’।প্রায় প্রতি সভায় গিয়ে তিনি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, রেশনের চালের টাকা কেন্দ্র নয়, দেয় রাজ্য সরকার। এর সঙ্গেই রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে মোদী সরকারকে তিনি তুলোধনা করেন। বার বার তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘আমি বিনা পয়সায় চাল দিচ্ছি। সেই চাল মানুষকে ফোটাতে হচ্ছে হাজার টাকার গ্যাস কিনে।

Loading