সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। রাজ্য বিজেপির নতুন কার্যালয় সম্পাদক (অফিস সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারক প্রকাশ চন্দ্র দাস।
প্রকাশ চন্দ্র দাসের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই তিনি আরএসএসের শাখায় যাতায়াত শুরু করেন। ১৯৯০ সালে সংসার ছেড়ে পূর্ণকালীন প্রচারক হিসেবে সংঘের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। প্রায় ১৮ বছর তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন।
আরএসএসের প্রাক্তন সরসংঘচালক কে. এস. সুদর্শনের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবেও পরিচিত প্রকাশ দাস। একসময় কলকাতার ভবানীপুরের সংঘ নিবাসে সুদর্শনের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। পরে তাঁকে ত্রিপুরায় সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়, যেখানে দীর্ঘ সময় গ্রামে গ্রামে সংগঠন গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন।
প্রকাশ দাসের জন্ম অবিভক্ত বাংলাদেশে। ১৯৭১ সালে পরিবার উদ্বাস্তু হিসেবে ভারতে চলে আসে। পরে দুর্গাপুরে বসবাস শুরু হয় এবং সেখান থেকেই তাঁর সংঘজীবনের সূচনা।
২০০৮ সালে আরএসএসের প্রচারক পদ ছেড়ে তিনি ‘হিন্দু সংহতি’-র সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীকালে রাজ্য বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুরলীধর সেন লেনের পুরনো রাজ্য দফতর থেকে শুরু করে হেস্টিংস ও সল্টলেকের আধুনিক পার্টি অফিস—সব ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন বলে দলের নেতারা জানিয়েছেন।
দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবন, সাদামাটা জীবনযাপন, শৃঙ্খলা, মৃদুভাষী স্বভাব এবং সংঘের আদর্শে গড়ে ওঠা ব্যক্তিত্ব—এই সব কারণেই তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। বিজেপির আশা, সংগঠনের মূল আদর্শ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে তিনি রাজ্য দফতরের প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজকে আরও শক্তিশালী করবেন।



![]()

More Stories
‘দ্য বং ভয়েস’-এর আত্মপ্রকাশ, তারকাখচিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত স্বানন্দ কিরকিরে
তাজপুর সরস্বতী শিশু মন্দির: ২৭ বছরের ঐতিহ্যে ভারতীয় সংস্কার, মূল্যবোধ ও জাতীয় চেতনার অনন্য শিক্ষাকেন্দ্র
ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে রাজ্যের উদ্যোগ, জেলায় জেলায় বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা; ফুটবলের প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়াতেই বিশেষ উদ্যোগ