সোমালিয়া ওয়েব নিউজ; ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ার একাংশ, বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বের কিছু সংবাদমাধ্যম যেমন বিবিসি-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান, শুরু থেকেই নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়ো প্রচার চালিয়েছিল। সেই সময়ে পাকিস্তান দাবি করেছিল যে ভারতের রাফায়েল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে এবং সেই বিমানের পাইলটকে তারা বন্দী করেছে।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সমস্ত দাবি একে একে ভেসে উঠেছে মিথ্যার কাদায়। সাম্প্রতিক ঘটনায় দেখা গেছে, যেই পাইলটকে পাকিস্তান বন্দী করার দাবি করেছিল, সেই একই পাইলটের সঙ্গে ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ছবি তুলেছেন — যা প্রমাণ করে, পাকিস্তানের সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ছিল।
আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে — যে টেল নম্বরের রাফায়েল বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে পাকিস্তান প্রচার চালিয়েছিল, সেই একই বিমানকে বর্তমানে বিদেশে যুদ্ধাভ্যাসের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ফলে পাকিস্তানের মিথ্যা প্রচারণা আরও একবার বিশ্বমঞ্চে ধরা পড়ল।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিদেশি প্রচারের সঙ্গে সুর মিলিয়ে দেশের ভেতরেও তথাকথিত একাংশ ‘বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক মহল’ সেই মিথ্যাচারকেই প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংবাদচক্র — বিভিন্ন মাধ্যমে দেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের চেষ্টা চলে। কিন্তু ঘটনাগুলি একে একে প্রমাণ করেছে যে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ও সরকারের দাবিই ছিল একমাত্র সত্য।
পাকিস্তানের প্রচারণা যেভাবে বারবার মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে, তা আজ কেবল ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য নয় — বরং তথ্যযুদ্ধের এক বাস্তব বিজয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একাংশ যেখানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল, ভারতের ধৈর্য ও বাস্তব প্রমাণ সেখানে মিথ্যার পর্দা উন্মোচন করেছে।
দেশবাসীর কাছে এখন বার্তা একটাই — যুদ্ধের সময় কিংবা সংকটের মুহূর্তে ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের সুরক্ষা ও গৌরব রক্ষার ক্ষেত্রে মিথ্যা প্রচারই সবচেয়ে বড় বিপদ।
আজ যখন ভারতের রাষ্ট্রপতি সেই ‘বন্দী পাইলট’-এর সঙ্গে প্রকাশ্যে সাক্ষাৎ করছেন, তখন গোটা বিশ্বের সামনে আবারও পরিষ্কার হয়ে গেল — সত্যকে লুকিয়ে রাখা যায় না।
মিথ্যার মুখোশ একদিন না একদিন খোলেই পড়ে।
জয় ভারত।
![]()

More Stories
‘ইতিহাস বইয়ে আকবর-ঔরঙ্গজেব, দেশের আসল নায়করাই ব্রাত্য’, সিলেবাস বদলের দাবি অক্ষয়ের?
বঙ্গোপসাগরের আকাশে ১৪,০০০ কিমি নো–ফ্লাই জোন ঘোষণায় ভারতের নিরাপত্তা কৌশলে নতুন অধ্যায়
বিহারে মাতৃদুগ্ধে ইউরেনিয়াম—চমকে দিল গবেষণাবিশেষজ্ঞদের সতর্কতা: দূষণ পৌঁছে গেছে বিপজ্জনক পর্যায়ে