সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ দেশজুড়ে রবি মরসুমে কৃষিকাজে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত রবি শস্য চাষের পরিমাণ ৬৭৬ লক্ষ হেক্টর ছাড়িয়ে গিয়েছে। মন্ত্রকের দাবি, এই মরসুমে রবি শস্য চাষের জমির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ১৫ লক্ষ হেক্টর বেশি।
মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবি মরসুমে সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে গম। চলতি মরসুমে ৩৩৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে গম চাষ সম্পন্ন হয়েছে। খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে কৃষি মহল।
এছাড়া ধান চাষের ক্ষেত্রেও চাষের জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। মন্ত্রক জানিয়েছে, ধানের ক্ষেত্রে আবাদ হয়েছে ৪৫ লক্ষ হেক্টরের বেশি জমিতে। রবি মরসুমে ধানচাষের এই বৃদ্ধি বিভিন্ন রাজ্যে সেচ সুবিধা ও আবহাওয়ার অনুকূল পরিস্থিতির ফল বলে মনে করা হচ্ছে।
ডাল চাষেও এবার আশাব্যঞ্জক বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে যেখানে ডাল চাষ হয়েছিল ১৩৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে, সেখানে চলতি মরসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৯ লক্ষ হেক্টর। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দামের স্থিতিশীলতাও বজায় থাকতে পারে।
একইসঙ্গে মন্ত্রক জানায়, পুষ্টিকর শস্য হিসেবে পরিচিত শ্রী অন্ন (মিলেট) চাষ হয়েছে প্রায় ৬১ লক্ষ হেক্টর জমিতে। অন্যদিকে ভোজ্যতেল উৎপাদনে স্বনির্ভরতা বাড়াতে তৈলবীজ চাষও বেড়েছে, যার পরিমাণ ৯৭ লক্ষ হেক্টরের বেশি জমি।
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের মতে, রবি মরসুমে চাষের জমি বৃদ্ধি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে কৃষকের আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

![]()

More Stories
আন্তর্জাতিক অরণ্য দিবসে অরণ্য রক্ষায় শপথ নেওয়ার আহ্বান
দেশে সারের ঘাটতি মেটাতে আমদানি বাড়াল কেন্দ্র, ইউরিয়া আমদানি ৮৯ লক্ষ টন
বিসমিল্লাহ্ খাঁ: সুরের ভিতর মানবধর্মের অনন্য সেতুবন্ধন