সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ বাজেট অধিবেশনে বারবার অচলাবস্থা এবং বিশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে লোকসভার আটজন বিরোধী সাংসদকে অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংসদীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সভা পরিচালনায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের মানিকম ঠাকুর, অমরিন্দর সিং রাজা, গুরজিৎ সিং আউজালা, হিবি ইডেন, ডিন কুরিয়াকোস, প্রশান্ত পাডোলে, কিরণ কুমার রেড্ডি এবং সিপিআই(এম)-এর এস ভেঙ্কটেশন। সংসদের অভ্যন্তরে চলমান উত্তেজনা এবং প্রতিবাদের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনের অধিবেশন তৃতীয়বার মুলতুবি হওয়ার পর বিকেল ৩টা নাগাদ লোকসভার কাজকর্ম ফের শুরু হয়। কিন্তু অধিবেশন শুরু হতেই বিরোধী সাংসদরা একাধিক ইস্যুতে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। শাসকদলের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিবাদ চলাকালীন সভার পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অধিবেশন পরিচালনা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
হইচই এবং স্লোগানবাজির মধ্যেই অভিযোগ ওঠে, বিরোধী সাংসদদের একাংশ অধ্যক্ষের চেয়ার লক্ষ্য করে কাগজ ছুঁড়ে মারেন। সংসদ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সদস্য এই ঘটনাকে ‘অসৌজন্যমূলক’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ আচরণ বলে উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। এর পরই বিষয়টি শৃঙ্খলাভঙ্গের পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বিরুদ্ধে সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, তাঁরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সেই বিষয়ে উত্তর না দেওয়াতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অন্যদিকে শাসক শিবিরের বক্তব্য, সংসদকে অচল করে দেওয়া এবং সভা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করাই ছিল বিরোধীদের উদ্দেশ্য।
এই সাসপেনশনের ফলে বাজেট অধিবেশনের বাকি সময়ে লোকসভায় বিরোধী উপস্থিতি আরও দুর্বল হবে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। পাশাপাশি, সংসদের ভিতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রতিবাদ-আলোচনার সীমারেখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

![]()

More Stories
লখনউ ডিভিশনে ৬০০ কিলোমিটারের বেশি রেলপথে বসছে কবচ ৪.০
মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পৌঁছল ৪০ লক্ষ লিটারের বেশি ডিজেল
EPFO-র আওতায় আসার বেতনসীমা ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার, উপকৃত হবেন ৫১ লক্ষের বেশি কর্মী