February 4, 2026

আরাবল্লী পাহাড় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, আশঙ্কার কারণ নেই: কেন্দ্র

সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ আরাবল্লী রেঞ্জ হল উত্তর-পশ্চিম ভারতের একটি পর্বতশ্রেণী, যা প্রায় 670 কিমি (420 মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে চলে, দিল্লির কাছে থেকে শুরু করে, দক্ষিণ হরিয়ানা এবং রাজস্থানের মধ্য দিয়ে যায় এবং গুজরাটের আহমেদাবাদে শেষ হয়। সর্বোচ্চ শিখর হল মাউন্ট আবু , রাজস্থানের গুরু শিখর 1,722 মিটার (5,650 ফুট)।

আরাবল্লী পাহাড়ের পরিবেশ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অযথা আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আরাবল্লী পাহাড় ও তার আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় সরকার একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং বর্তমানে এই অঞ্চলের পরিবেশ নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই।

মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরাবল্লী অঞ্চলে অরণ্যের বিস্তৃতি বৃদ্ধি, পরিবেশ সংবেদনশীল অঞ্চল (Eco-Sensitive Zone) ঘোষণা এবং খনন কাজের ওপর কড়া নজরদারি—এই তিনটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করেই পাহাড়গুলিকে সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে। বেআইনি খনন রোধে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আরাবল্লী পাহাড় ভারতের অন্যতম প্রাচীন পর্বতশ্রেণি এবং উত্তর ভারতের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির মধ্যে সমন্বয় রেখে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে সবুজ আচ্ছাদন বাড়ানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রক জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে ও কিছু মহলে আরাবল্লী অঞ্চলের পরিবেশ ধ্বংস নিয়ে যে ধরনের তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবভিত্তিক নয়। এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচার সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। সরকার পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, আরাবল্লী পাহাড় সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর নজরদারি অপরিহার্য। সরকারের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট, আপাতত আরাবল্লী অঞ্চলের পরিবেশ নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনও সংকট নেই এবং সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ যথাযথভাবেই চালু রয়েছে।

সব মিলিয়ে কেন্দ্রের দাবি, আরাবল্লী পাহাড়ের পরিবেশ সুরক্ষিত রয়েছে এবং গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের পরিবর্তে সরকারি ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Loading