সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হঠাৎ আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিআই(এম)-এর রাজ্য দফতরে আগমন ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, এটি কি শুধুই তাঁর আসন্ন ছবি ‘অনেকদিন পর’-এর আমন্ত্রণ জানাতে যাওয়া, নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে আরও কোনও বার্তা? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। বুধবার দুপুরে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে অবস্থিত সিপিআই(এম)-এর রাজ্য দফতরে সৌজন্য সাক্ষাতে যান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তাঁর নতুন ছবি ‘অনেকদিন পর’-এর জন্য আমন্ত্রণ জানাতেই তিনি সেখানে যান। এই সময় সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা কমরেড বিমান বসুর সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন তিনি। সাক্ষাৎপর্ব ছিল আন্তরিক এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ। তবে বিষয়টি এখানেই থেমে থাকেনি। বাংলা চলচ্চিত্রের এক শীর্ষ তারকার সরাসরি আলিমুদ্দিনে গিয়ে বাম নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বাড়িয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। সাংস্কৃতিক জগত ও রাজনীতির সম্পর্ক বরাবরই আলোচনার বিষয়। তাই এই সাক্ষাৎকে ঘিরেও নানা ব্যাখ্যা সামনে আসতে শুরু করেছে। যদিও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কিংবা সিপিআই(এম)-এর পক্ষ থেকে এই সাক্ষাতের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্যের ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। সরকারি বা দলীয় সূত্রেও এটিকে একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ বলেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, শুধুমাত্র একটি ছবির আমন্ত্রণের জন্যই কি এই সাক্ষাৎ, নাকি এর আড়ালে রয়েছে আরও গভীর কোনও আলোচনা? অবশ্য এর উত্তর আপাতত সময়ের হাতেই। তবে প্রসেনজিৎ-বিমান সাক্ষাৎ যে নতুন করে আলিমুদ্দিনকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে, সে বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। এখন দেখার, ‘অনেকদিন পর’ এর আমন্ত্রণের এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে শুধুই একটি সৌজন্য পর্ব হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে, নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা অন্য কোনও বার্তা সামনে আসে।



![]()

More Stories
চুল কাটতে গিয়ে ‘চুলচেরা’ বিপত্তি! থানায় অভিযোগ, চাঞ্চল্য চন্দ্রকোণায়
হলুদ অপরাজিতা
মঙ্গল গ্রহে বরফ