সোমালিয়া ওয়েব নিউজ : চাকরিহারা ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর ভাগ্য নির্ধারণ করছে সময়ের উপর। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের মুখেও যে প্রশ্নে তীব্র ভর্ৎসিত হয়েছিল কমিশন, সেই একই প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টেও চাপে পড়ল কমিশন। সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানিয়েছে, চাকরিহারাদের মধ্যে যোগ্য-অযোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব। কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে? কারণ OMR শিটের তো কোনও স্ক্যানড কপিই রাখা হয়নি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে এসএসসি মামলার শুনানি হয়। এদিন শুনানি পর্বে প্রধান বিচারপতি বলেন, ”পুরো বিষয়টা আমরা বিবেচনা করে দেখব। তার আগে কোনও শর্ত ছাড়া আমরা স্থগিতাদেশ দিতে আগ্রহী নয়।” বিচারপতি পারদিওয়ালার বক্তব্য, ”কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য, সেটা বাছাই করা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ”। এদিন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী মনিন্দর সিং আদালতে বলেন, ”ওএমআর শিট কোনও ভাবেই মেলানো সম্ভব নয়। কারণ, প্রত্যেকের দুটো করে ওএমআর শিট হবে। একটি এসএসসির কাছ থেকে অন্যটি নাইসার কাছ পাওয়া যাবে। এ বার কোনও ওএমআরে কারচুপি হয়েছে, সেটা কী ভাবে বোঝা সম্ভব? এর চেয়ে ভালো নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা।”এই বক্তব্য শোনার পরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ”হাই কোর্টের রায়ে এখনই কোনও স্থগিতাদেশ আমরা দিচ্ছি না। সিবিআই একই ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাবে।
![]()

More Stories
পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার ওয়াকফ সম্পত্তি কি ‘নিখোঁজ’? রাজ্যসভায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ কেন্দ্রের
প্রকৃতি বন্দনার মহোৎসব: আদিবাসী সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’
হাত ছেড়ে পদ্ম ধরলেন কলকাতার দাপুটে কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক, সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে বড় ভাঙন কংগ্রেসে