সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ কারিনা নেবুলার এক অংশে অবস্থিত এই অপূর্ব দৃশ্যটি ধারণ করেছে হাবল টেলিস্কোপ। এখানে আমরা দেখতে পাই—নবজন্ম তারার বিশাল শক্তি কীভাবে ধুলোমেঘে ঘেরা গ্যাসীয় স্তম্ভগুলোকে আলোকচ্ছটা ও সৌরবাতাসে ভেঙে দিচ্ছে।
এই অঞ্চলটির নাম মিস্টিক মাউন্টেন, যার অভ্যন্তরের বিশেষ অঞ্চল পরিচিত HH1066 নামে। এর বিস্তৃতি প্রায় এক আলোকবর্ষ, আর পৃথিবী থেকে দূরত্ব ৭,৫০০ আলোকবর্ষ।
যদিও স্তম্ভগুলোর মাঝে গাঢ় কালো ধুলো দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে সেগুলো স্বচ্ছ হাইড্রোজেন গ্যাসের তৈরি। দেখতে ধোঁয়ার মতো হলেও এগুলো কোনো দহনক্রিয়ার ফল নয়—বরং আশপাশের নবীন তারাগুলোর তীব্র আলোয় ঝলমল করছে।
মাত্র কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যেই এই ধুলোমেঘ উবে যাবে—তারাগুলোর বিজয় অনিবার্য।
এই মহাজাগতিক শিল্পকর্মের মাঝে দাঁড়িয়ে আমাদের ক্ষুদ্রতা ও বিস্ময়ের অনুভব আরও গভীর হয়ে ওঠে।

![]()

More Stories
নেশামুক্ত অভিযানে ২৫ কোটি মানুষের কাছে সচেতনতা প্রচার: লোকসভায় জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিরেন্দ্র কুমার
গৃহ পরিচারিকাদের ন্যূনতম মজুরি: ‘মৌলিক অধিকার’ মানতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট
এবছরের পদ্ম পুরস্কার ঘোষণা, ১৯ জন মহিলা ও ১৬ জন পাচ্ছেন মরণোত্তর সম্মান