October 11, 2026

আর দু’-তিন দিনের মধ্যেই রাজ্য থেকে বিদায় বর্ষার, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু আবহাওয়া দপ্তরের

সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ রাজ্য থেকে আর দু’-তিন দিনের মধ্যেই বর্ষা বিদায় নিতে চলেছে। চলতি বছরে বর্ষার মরশুমে দক্ষিণবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি এবং উত্তরবঙ্গে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন এলাকা ভিত্তিক সাইক্লোন ওয়ার্নিং সেন্টার, কলকাতার প্রধান ডক্টর হাবিবুর রহমান বিশ্বাস। অন্যদিকে, বর্ষা বিদায়ের পর সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে আবহাওয়া দপ্তর। সম্প্রতি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের কার্যালয়ে পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান ডক্টর জেনোমনি রাজেন্দ্র কুমারের নেতৃত্বে ২০২৬ সালের বর্ষা-পরবর্তী প্রাক্‌-ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি মহড়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এলাকা ভিত্তিক সাইক্লোন ওয়ার্নিং সেন্টার, কলকাতার প্রধান ডক্টর হাবিবুর রহমান বিশ্বাস এবং আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞানী সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), কোস্ট গার্ড, বিএসএফ, ডিভিসি, সিইএসসি, কলকাতা বন্দর-সহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আধিকারিকরা বৈঠকে অংশ নেন। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি, আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে তাঁদের বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, দুর্যোগের সময় বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা এবং ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতির উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এদিন ডক্টর হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানান, খুব শীঘ্রই কলকাতার প্রতিটি বোরো এলাকায় বৃষ্টিমাপক যন্ত্র বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি ব্লকে এখনও বৃষ্টিমাপক যন্ত্র না থাকায় বৃষ্টিপাতের সঠিক পরিমাপ ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে তিনি আগ্রহী সংস্থা ও ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতির উপর নজরদারি বাড়ানো এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

Loading