February 4, 2026

ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে বাক স্বাধীনতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রেসমিট রাজ্যপালের

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: রবিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে বাকস্বাধীনতা নিয়ে এমন ভাষাতেই সওয়াল করতে দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে।এদিকে মোদি’ পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে আপাতত সংসদীয় রাজনীতি থেকে নির্বাসিত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। খারিজ করা হয়েছে তাঁর সাংসদ পদ। রাহুল নিজেও বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি না থাকতে পারেন, তবে লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরবেন না। আর এই ইস্যুতে শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, উত্তাল হয়েছে সারা দেশ। বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনে নেমেছে কংগ্রেস। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে ‘সত্যাগ্রহ’ও। এদিকে এই সংসদীয় রাজনীতি থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুলের নির্বাসনের ঘটনায় তাঁর পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে অধিকাংশ বিজেপি বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের। এককথায় উত্তপ্ত জাতীয় রাজনীতি। এমনই এক প্রেক্ষাপটে রবিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে যে বার্তা এদিন দিলেন রাজ্যপাল তাঁর অর্থ, বাকস্বাধীনতা ভারতের মহার্ঘ অলঙ্কার। তার সঙ্গে আপোস করা উচিত নয়।রবিবার সকালে কলকাতা প্রেস ক্লাবে এই অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস জানান, যদিও এর সঙ্গে কোনওরকম রাজনৈতিক সংযোগ নেই বলেই দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের। এমনকী তাঁকে রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে যান।এদিনের রাজ্যপালের এই বার্তাকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করার বার্তা হিসেবেই দেখছেন। কারণ, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তিনি। এদিন বাকস্বাধীনতা নিয়ে আনন্দ বোসের এই বক্তব্য, কাউকে লক্ষ্য করে না করলেও আদতে তিনি সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েই এই বক্তব্য রেখেছেন এমনটাই ধারনা সবার-ই। এখানে একটা কথা বলতেই হয়, রাজ্যের সঙ্গে নতুন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক বেশ ভাল। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি এবং বাংলার প্রাক্তন রাজ্যাপাল জগদীপ ধনকড়ের সময় যে নিত্য নৈমিত্তিক এক দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বাংলায় তেমন ঘটনা এখনও ঘটেনি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে কেন্দ্র করে। বরং সেখানে এদিনের রাজ্যপাল যে বক্তব্য রাখলেন তাতে ধরা পড়ল রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পর ঠিক যেমনটি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেমনই সুর।

Loading