সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: সরকারি ভাবে ‘দুয়ারে বর্ষা’ হতে মোটামুটি একমাস দেরি। সঙ্গে দোসর হয় ডেঙ্গুর বাহন মশা। গুসকরা শহরের আকৃতি অনেকটা কড়াইয়ের মত হওয়ার জন্য সহজে জল বের হতে চায় না। স্বাভাবিকভাবেই মশককুল তাদের বৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ পেয়ে যায়। শহরবাসীদের যাতে ডেঙ্গুর শিকার না হতে হয় তারজন্য তৎপর হয়ে উঠেছে গুসকরা পুরসভা। ঠান্ডা ঘরে না বসে থেকে মাঠে নেমে পড়েছে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ প্রত্যেক কাউন্সিলর। তিনদিন ধরে নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র ৯ নং ওয়ার্ডে সকাল বেলায় দু’জন সাফাই কর্মীকে নিয়ে হাজির হয়ে যাচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান বেলী বেগম। ২-৩ ঘণ্টা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিকাশী নালা অর্থাৎ ড্রেনগুলো পরিস্কারের কাজ তদারকি করছেন। সঙ্গে থাকছেন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সুপার ভাইজার ইসমাইল মোল্লা, ওয়ার্ড সচিব সহ অন্যান্য তৃণমূল কর্মীরা। প্রসঙ্গত শহরের যেসব ওয়ার্ডগুলোর নিকাশী ব্যবস্থা দুর্বল তার অন্যতম হলো এই ওয়ার্ডটি। নিজেদের ওয়ার্ডে কাউন্সিলের ভূমিকায় খুশি ওয়ার্ডবাসীরা।ওয়ার্ডের বাসিন্দা বর্ণালী চৌধুরী বললেন- বৃষ্টি হলেই আমাদের ওয়ার্ডে জল জমে যায়। সহজে বের হতে চায়না। এখন ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিস্কার হলে আশাকরি মশার দাপট কম হবে। তবে আমাদের এই ওয়ার্ডে বেশ কয়েকটি পাকা ড্রেনের দরকার। অন্যদিকে চেয়ারম্যান কুশল মুখার্জ্জী বললেন – আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ঠিক করে নিয়েছি প্রত্যেক কাউন্সিলর দাঁড়িয়ে থেকে নিজ নিজ ওয়ার্ডের ড্রেন পরিস্কারের কাজ তদারকি করবে। এরফলে সাফাই কর্মীরা উৎসাহিত হবে এবং প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবে। এখন মশা তথা ডেঙ্গুর হাত থেকে শহরবাসীদের আতঙ্ক কতটা দূর করতে পারলাম সেটা ভবিষ্যত বলবে।
![]()

More Stories
রোজ ভ্যালি কাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের স্বস্তি, ফের শুরু টাকা ফেরত প্রক্রিয়া
বিধানসভা ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের
এক নজরে দেখে নিন তৃণমূলের ইস্তাহার ২০২৬