February 4, 2026

অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার জামিন মামলার রায়দান ১ জুন

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার জামিন মামলার রায়দান ১ জুন। এই নির্দেশ দেন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক রঘুবীর সিং। এদিন মামলার শুনানি শেষে রায়দান রিজার্ভ রাখেন। এদিকে এদিন ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, মণীশ কোঠারি তাঁর বয়ানে জানিয়েছেন, অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলই সমস্ত ব্যবসা দেখতেন। একইসঙ্গে তাঁকে নির্দেশও দিতেন বলে বয়ানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়। শুধু তাই নয়, এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী জানান, অনুব্রত মণ্ডল পড়াশোনা জানেন না। তাঁর পক্ষে হিসাবরক্ষকের সঙ্গে কথা বলে এত টাকা হেরফের করা সম্ভব না। এক্ষেত্রে সুকন্যার ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে এদিন। ইডির আইনজীবী নীতেশ রানা আদালতে জানান, গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল যে বিপুল অঙ্কের টাকা তছরূপ করেছেন, সেই তছরূপ প্রক্রিয়ায় মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দু’জন। একজন অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি এবং দ্বিতীয়জন অনুব্রতর কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। যদিও এই সব অভিযোগ মানতে চাননি সুকন্যার আইনজীবী অমিত কুমার। আদালতে তাঁর সওয়াল ছিল, গরু পাচার মামলায় সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে ইডি। তাই তাঁকে আর হেপাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। তাছাড়া একই মামলায় অন্যান্য কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার না করেই জামিন দেওয়া হয়েছে। অথচ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এই প্রসঙ্গে সুকন্যার আইনজীবী একইসঙ্গে এদিন আদালতে জানান.বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারের স্ত্রী তানিয়া সান্যালের কথা। সিবিআই চার্জশিটে নাম থাকার পরও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পাশাপাশি সুকন্যার আইনজীবী এও জানান, সুকন্যার কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চলতি মাসেই অস্ত্রোপচারের কথা রয়েছে। তাই জামিন দেওয়া হোক। এরই প্রত্যুত্তরে ইডির আইনজীবী নীতেশ রানা সওয়াল করতে গিয়ে বলেন, এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত সুকন্যা। গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এরপরই ইডির তরফে এদিন দাবি করা হয়, সুকন্যা মণ্ডল একজন শিক্ষিত, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। তিনি কিছু না জেনে কোনও কাগজে সই করেছেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

Loading