সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি বিপুল ধনসম্পদের মালিক হলেও তিনি খুব সাদাসিধে জীবন যাপন করতে পছন্দ করেন। অনেকেই হয়তো জানেন না যে আম্বানি নিরামিষভোজী। অত্যন্ত নিয়মমাফিক খাবার খান তিনি। তিনি বর্তমানে এশিয়ার দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। প্রথম স্থানে আছেন গৌতম আদানি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ তম স্থানে রয়েছেন ভারতের এই বিত্তবান পুরুষ। বিশেষ করে মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নিতা আম্বানি এ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপক আলোচনার শিকার। সবচেয়ে দামি বাড়ি থেকে শুরু করে সবচেয়ে দামি গাড়ি পর্যন্ত আম্বানি পরিবারের কাছে সবকিছুই রয়েছে। আম্বানিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল মুম্বাই-এ অবস্থিত সুন্দর লাক্সারি বিশাল বাসভবন, যার নাম অ্যান্টিলা। ২৭ তলা এই অট্টালিকাটি গোটা বিশ্বের মধ্যে বৃহত্তম ব্যক্তিগত বাসভবন। ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হওয়ার কারণে তাই সাধারণ মানুষ তাঁর সম্বন্ধে এই ধারণা রাখে যে তাঁর খাবারের তালিকায় প্রতিদিনই লাক্সারি খাবার থাকে। তবে এই ধারণা একেবারেই ভুল। জানা গেছে মুকেশ আম্বানির জীবনযাপন খুব সাধারণ প্রকৃতির। খাবারের প্রসঙ্গে তিনি খুব স্ট্রিক ডায়েট ফলো করেন। সকালেই তিনি খান তাজা পেঁপের রস। এই পেঁপের রস খাওয়ার অভ্যাস তিনি তার বাবার থেকে পেয়েছেন। আর দিনের বাকি সময় স্যুপ এবং স্যালাডেই পেট ভরান। লাঞ্চ ও ডিনার ইত্যাদিতে গুজরাটি খাবারই তাঁর বেশি পছন্দের। এছাড়া বাড়িতে তৈরী রুটি, ডাল, তরকারি ইত্যাদি খেতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন মুকেশ আম্বানি। নিরামিষ ভোজী হওয়ার কারণে তিনি মাছ-মাংস জাতীয় কোনো খাবার খান না। গুজরাটি খাবারের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতীয় বিভিন্ন খাবারও মুকেশ আম্বানীর খুব পছন্দের। বাইরের খাবারের মধ্যে তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে তাজ কোলাবার চাট, স্বাতী স্নাক্সের পানাকি এবং মাইসোর ক্যাফে মাটুংগা থেকে ইডলি-সাম্বার। যদিও তিনি ঘরের খাবার খেতেই পছন্দ করেন, তবুও সপ্তাহের একটা দিন বরাদ্দ রাখেন বাইরের খাবার খাওয়ার জন্য।
![]()

More Stories
মেলা ও পার্লারের সস্তা ট্যাটু ,পিয়ার্সিং গান ফোঁড়াই ডেকে আনছে ভয়াবহ বিপদ
মহৌষধ—কচি নিম পাতা আর সজনে ডাটা শাক ফুলে প্রকৃতির নিরাময়
পুকুরের জলে হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব: গ্রীষ্মের সাঁতারে ফিকে হচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য