ব্রিটেনের বাসিন্দা আবর্জনা সংগ্রহ করে কোটিপতি

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: প্রতিটা মানুষের শোক-স্বাদ, চাওয়া-পাওয়া, ইচ্ছা-অনিচ্ছা ভিন্ন প্রকৃতির। কিন্তু আপনি কি জানেন? কিছু মানুষ আছেন যাদের শোকের বসে আজব কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকেন। তেমনই একজন যিনি অদ্ভূত শখকে পুঁজি করেই আজ তিনি কোটিপতি। কেউ অভাবের তাড়নাতে মানুষ আবর্জনা কুড়িয়ে অর্থ সংগ্রহ করেন। তবে এক্ষেত্রে কিন্তু গল্পটা মোটেও এরকম নয়। যিনি বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ করে বেড়ান তিনি রীতিমতো বিত্তশালী। ব্রিটেনের বাসিন্দা জেনিফার লেরাস। ছোট থেকে আবর্জনা থেকে ভালো জিনিস খুঁজতে পছন্দ করতেন। ২০ বছর আগে যখন তিনি প্রথম কলেজে যান তখন এই বিষয়টিকেই তাঁর ডেইলি রুটিনের অংশ বানিয়ে নিয়েছিলেন। তারপর থেকে প্রতিদিন তিনি আবর্জনার স্তূপের সামনে যান। ফেলে দেওয়া জিনিসের মধ্য়ে দরকারি জিনিসপত্র খুঁজে পেতে নিয়ে আসেন নিজের বাড়ি। অনেক সময় অনেক দরকারি জিনিসপত্র বাড়তি হওয়ায় অনেকেই তা অবহেলায় ফেলে দেয় আবর্জনা। সেই সব জিনিসই খুঁজেপেতে সংগ্রহ করে আনেন লেরাস। তারপর রেখে দেন নিজের সংগ্রহে। আজ তাঁর বাড়িতে এমন বহু জিনিসের সংগ্রহ রয়েছে যেগুলো হয়তো কেউ অকারণেই কোনও এককালে অবহেলায় রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিয়েছিল। সম্প্রতি লেরাস আবর্জনার স্তূপ ঘেঁটেই পেয়েছেন ডাইসন এয়ার র‍্যাপ হেয়ার ড্রায়ার। যার দাম প্রায় ৪০ হাজার টাকা। পেয়েছেন রুমবা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার যার দাম ৫০ হাজার টাকা। এমন অনেক জিনিসই তাঁর সংগ্রহে রয়েছে, যা প্রায় খুঁত। অকারণেই সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বা হয়তো সামান্য খুঁতে জন্য ফেলে দেওয়া হয়েছে। ৪০ বছর বয়সী জেনিফারের বাড়ি এখন ঠাসা আবর্জনা থেকে খুঁজে পাওয়া জিনিসে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ হোম সিকিউরিটি সিস্টেম, প্রতিটি রুমের জন্য রোবট ভ্যাকুয়াম, ভয়েস অ্যাক্টিভেটেড ডাস্টবিন, হাই-এন্ড কুকওয়্যার। সব জিনিসগুলো সচল ও ঠিকঠাক অবস্থায় রয়েছে।

Loading