পুরুলিয়ার অস্থি পাহাড়ে ডাইনোসরের জীবাশ্ম! তাই শোরগোল পড়েছে জেলা জুড়ে

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: পুরুলিয়ার অস্থি পাহাড়ে ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখন ব্যাপক উত্তেজনা পুরুলিয়ায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে প্রত্নতাত্ত্বিকরা থেকে শুরু করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কাছে। ঘটনাটি পুরুলিয়ার ঝালদা ২ নম্বর ব্লকের চিতমু গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থি পাহাড়ে এই জীবাশ্ম দেখা গিয়েছে বলে খবর। ওখানের আনন্দমার্গীদের এই দাবিকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে পুরুলিয়া জেলায়। এই ডাইনোসর নিয়ে নানা কাহিনী আছে। এখন সেসব চর্চা শুরু হয়েছে জেলায়। এদিকে বহু যুগ আগে ডাইনোসরের অস্তিত্ব ছিল পুরুলিয়ায় বলে কথিত আছে। তা প্রায় মানুষ ভুলেই গিয়েছিল। কারণ এসব বহু যুগ আগের কথা। আর যেখানে এই জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে সেই পাহাড়কে বলা হয় অস্থি পাহাড়। কারণ ডাইনোসরের হাড় দিয়েই তৈরি এই পাহাড় বলে পরিচিত। প্রাচীন মানুষজন তেমনই বলে থাকেন। কিন্তু পাহাড়ের চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে বিশালাকার জীবাশ্ম। এগুলির আকার বিশাল এবং সরীসৃপ জাতীয় মেরুদণ্ডী অবলুপ্ত ওই ডাইনোসরের লেজের অংশ বলে দাবি আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের। তাতেই আলোড়ন তুঙ্গে উঠেছে। অন্যদিকে ১৯৮০ দশকে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা প্রভাতরঞ্জন সরকার পাহাড় চূড়ায় তপস্যা করার সময় সেখানের পাথর পরীক্ষা করে বলেছিলেন ডাইনোসরের অস্তিত্বের কথা। তারপরই জায়গা চিহ্নিত করা হয়। আর সেখানে এই ডাইনোসরের জীবাশ্ম বিষয়ে বড় বোর্ড বসানো হয়। আনন্দমার্গীরা এই পাহাড়ের জীবাশ্ম পরীক্ষা করার দাবি তোলেন। দীর্ঘ চার দশকে ওই ২০০ ফুট উঁচু পাহাড়ে ঘুরে এসেছেন প্রশাসনের অফিসাররা। এখান থেকে জীবাশ্ম নিয়ে এসে পুরুলিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে। এখন এই নিয়ে অনেকের মনে কৌতূহল। আর তার থেকে মনে জাগছে সুপ্ত প্রশ্ন। সত্যিই কি একটা সময় আজকের পুরুলিয়ায় ডাইনোসরেরা দৌড়ে বেড়াতো? এর উত্তর অবশ্য খুঁজছেন ইতিহাসবিদরা। তবে আপনি যদি ডাইনোসরের জীবাশ্ম দেখতে চান, তাহলে পুরুলিয়ার আনন্দপুরে পৌঁছে যান। আনন্দমার্গীর সাধারণ মানুষ সকলেরই দাবি, জীবাশ্ম পরীক্ষা করে আসল সত্য বেরিয়ে আসুক।

Loading