সোমালিয়া ওয়েব নিউজ : প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির গড় হিসেবে পরিচিত ইটাবাতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে সেটাই আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন। একদিকে পরিবারবাদে জর্জরিত বিরোধী শিবির, তো অন্যদিকে পিছুটানহীন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এই ছবিকে সামনে রেখে লোকসভার লড়ায়ে জন সমর্থন আদায়ে মাঠে নেমেছে বিজেপি (BJP)। মোদি জানালেন, ‘আমার কোনও সন্তান নেই। আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তেই আমার এই লড়াই।’ অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরকে কটাক্ষের পাশাপাশি এদিন রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে নিজের তুলনা টানেন প্রধানমন্ত্রী। সপা গড়ে দাঁড়িয়ে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ”শাহী পরিবারের সন্তানরা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী পদের ওয়ারিশ, এই কুপ্রথা ভেঙে দিয়েছে এক চাওয়ালা। এই মোদি ভারতের জন্য আগামী ৫ বছর নয় আগামী ২৫ বছরের রাস্তা তৈরি করছে। আগামী আরও এক হাজার বছর ভারত যাতে শক্তিশালী থাকে তার জন্য ভিত গঠন করছি। মোদি এটা করছে কারণ সে থাকুক বা না থাকুক দেশ সর্বদা থাকবে।’ এ প্রসঙ্গে রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে নিজের তুলনা টেনে মোদি বলেন, “সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়কে বলা হয় তিনি কুপ্রথার প্রথার অবসান ঘটিয়েছেন। ঠিক তেমনভাবে এমন একটি দিন আসবে যখন বলা হবে দেশে আগে একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যিনি চা বিক্রেতা এবং তিনি এমন একটি প্রথা ভেঙেছেন যার ফলে গরিবের ছেলেও প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারে। পরিবারবাদ নিয়ে বিরোধীদের কড়া সুরে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে সপা ও কংগ্রেস নির্বাচন লড়ছে নিজের ও নিজের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে। এই পরিবারের উত্তরাধিকার হল গাড়ি, বাংলো, রাজনৈতিক প্রভাব। এরা মইনপুরি, কনৌজ এবং ইটাবাকেও তাদের সম্পত্তি ভাবে। কেউ কেউ আমেঠি এবং রায়বেরেলিকে নিজেদের সম্পত্তি হিসাবে দেখে। কিন্তু মোদির উত্তরাধিকারে দরিদ্রদের জন্য বাড়ি, দেশের কোটি কোটি মা-বোনকে শৌচাগার, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং কলের মতো সুবিধা দেওয়া হয়। বিরোধীদের তোপ দেগে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কার জন্য এই লড়াই লড়ছে মোদি। আমার তো সামনে পিছনে কিছু নেই। যোগীজিরও কেউ নেই। আমার তো কোনও সন্তান নেই। আমি আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে নিজেকে নিয়োজিত করেছি। মোদির তৈরি উত্তরাধিকার সবার জন্য। আমরা চাই ২০৪৭ সালে আপনার ছেলে বা মেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী হোক। শুধু শাহী পরিবার প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী পদের ওয়ারিশ, এই কুপ্রথা ভেঙেছে এই চাওয়ালা।”
![]()

More Stories
জরুরি অবস্থা কেন ঘোষণা করা হয়েছিল: রাজনৈতিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
১৯৭৫ সালের ২৫ জুন,জরুরি অবস্থার অন্ধকারে অধ্যাপক হরিপদ ভারতী: জেলের পাঁচিল পেরিয়ে গণতন্ত্র, প্রকৃতি ও শ্রীঅরবিন্দ-স্মরণ
ভারত-চীন সীমান্ত বাণিজ্য ছয় বছর পর আবার শুরু হতে চলেছে