February 4, 2026

ISC-তে রাজ্যে ফার্স্ট রীতিশা! ১নম্বর কমে জন্য হলো না ৪০০-য় ৪০০

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ : কালা বিভাগে পরেও সম্ভব সেটা বুঝিয়ে দিল ISC বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী রীতিশ বাগচি। ইতিহাস-সমাজ বিজ্ঞানের মতো বিষয় নিয়ে ক্লাস 12-এ পড়াশোনা। যাতে অনেকেরই ধারনা তেমন নাকি নম্বর ওঠে না। চিরাচরিত সেই চিন্তা ভাবনাকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বাজিমাৎ করেছে রীতিশা বাগচি। ISC-তে ৯৯ শতাংশ নম্বর পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছে ঠাকুরপুকুরের এই সোনার মেয়ে। শুধু তাই নয়, বাংলার সম্ভাব্য প্রথম হিসেবে মেধা তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। সোমবার, ৬ মে ICSE বা ক্লাস 10 ও ISC বা ক্লাস 12-র বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ করে কাউন্সিল ফর ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশনস (CISCE)। আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসে রীতিশার নাম। জানা যায়, কলা বিভাগের এই ছাত্রী ৪০০-র মধ্যে পেয়েছে ৩৯৯। যা কিনা ৯৯.৭৫ শতাংশ। এদিন অবশ্য কাউন্সিলের তরফে কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে দুর্দান্ত রেজাল্ট করা জোকা বিবেকানন্দ মিশন স্কুলের রীতিশা যে মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, তা বুঝতে কারোর অসুবিধা হয়নি। ফল প্রকাশের পর রীতিমতো উচ্ছ্বসিত ছিল সে। তবে ৪০০-য় ৪০০ না হওয়ায় সামান্য আক্ষেপও ধরা পড়েছে তার গলায়। রীতিশার মার্কশিটে নজর করলে দেখা যাবে ইতিহাস, সমাজ বিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্বে ১০০-র মধ্যে ১০০ পেয়েছে সে। ইংরেজিতে কাটা গিয়েছে এক নম্বর। এই ভাষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৯। সেটাই একমাত্র আফশোস ঠাকুরপুকুরের সোনার মেয়ের। এদিন রেজাল্ট আউটের পর দ্রুত স্কুলে চলে যায় রীতিশা। দেখা করে স্কুলের প্রিন্সিপাল-সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে। সেখানেই এই সময় ডিজিটালের প্রতিনিধিকে সাক্ষাৎকার দেয় সে। রীতিশার কথায়, ‘মা-বাবা সব সময় পাশে থেকেছে। আর সাহজ জুগিয়েছেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ৯৯ শতাংশ নম্বর যে পেতে পারি, সেই বিশ্বাসটা মনের মধ্যে গেঁথে দিয়েছিলেন তাঁরা।’ আগামীদিনে ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনার ইচ্ছে রয়েছে রীতিশার। বড় হয়ে সাংবাদিকতা করতে চায় সে। আগামী দিনের পড়ুয়াদের টিপসও দিয়েছে সে। ‘আমি একটা কথা বলব, শুধু নম্বর নয়, আনন্দ পেতে পড়াশোনা করতে হবে। সেটা যেন কখনই হারিয়ে না যায়। তা হলেই ভালো মার্কস আসবে।’

Loading