সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: এবারের পুজোতে যেতে পারেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলায় অবস্থিত অযোধ্যা পাহাড়ে। পশ্চিমবঙ্গের রুক্ষ মালভূমি অঞ্চলের মধ্যে অযোধ্যা পাহাড় হল মানবদেহের ফুসফুসের মতো। প্রকৃতি মায়ের কোলে মানুষের খুশি হওয়ার সব উপকরণই আছে অযোধ্যা পাহাড়ে। আছে পাহাড়ের বুকে শীতল, স্বচ্ছ জলের ঝিল, মাটির সোঁদা গন্ধ, হারিয়ে যাওয়ার মতো ঘাসের গালিচামোড়া শাল-সেগুনের বনবীথি! রাত্রি যাপন করতে পারেন টেন্ট ক্যাম্প বা রিসোর্ট এ দিব্যি দুটো দিন কাটিয়ে প্রকৃতির অনাবিল আনন্দ বন্ধুপরিজনের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া যায়!অযোধ্যার সাথে কাছাকাছি ঘুরে নিতে পারেন :-1. পুরুলিয়ার বিখ্যাত মুখোশ গ্রাম ।2.বামনি জলপ্রপাত ও ঠুর্গা জলপ্রপাত।3.জয়চণ্ডী পাহাড়: দৃশ্য সহ একটি পাহাড়4.সুরুলিয়া ইকো পার্ক: টেকসই পর্যটনের জায়গা।5.গড়পঞ্চকোট: এমন একটি জায়গা যা অনেকেই বলে অবিস্মরণীয়।6.দোলাডাঙ্গা: কুমারী ও কংসাবতী নদীর মিলনস্থল।7.সাহেব বাঁধ: পুকুর ধরে বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা।8.কাশীপুর রাজবাড়ি : 9. গজাবুরু পাহাড় ও মাঠা পাহাড় : রক ক্লাইম্বারদের জন্য একটি স্বর্গ।10.মার্বেল লেক, আপার ড্যাম এবং লোয়ার ড্যাম।11. অযোধ্যা পাহাড় আর বাঁকা ডহর।ভ্রমণ পরিকল্পনা:-প্রথম দিন:-রিসোর্টে বরভূম পিকআপ,তারপর রিসোর্ট এ সকালের ব্রেকফাস্ট পাখি পাহাড়, মাথা ফরেস্ট এবং পারদিহ লেক.তারপর রিসোর্ট এ ফিরে দুপুরের লাঞ্চ ,রিসোর্টে বিশ্রাম নিন, খয়রাবেরা বাঁধ এবং চারিদা গ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করুন।দ্বিতীয় দিন:- সকালের নাস্তা শেষে লাহরিয়া মন্দির, লোয়ার ড্যাম, আপার ড্যাম, ময়ূর পাহাড়, সীতা কুন্ডো, পাহাড়ে দুপুরের খাবার, মার্বেল লেক, বামনি ফলস, ঠুর্গা ফলস এবং ড্যাম রিসোর্টে ফিরে আসা শুরু করুন।তৃতীয় দিন:-চেক আউট, প্রাতঃরাশের পরে পুরুলিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করুন.কীভাবে যাবেন?কোলকাতা থেকে (হাওড়া স্টেশন) ট্রেনে পুরুলিয়া। পুরুলিয়া থেকে চারচাকা গাড়িতে আরষা হয়ে অযোধ্যা পাহাড়।কোলকাতা থেকে দিনে সরকারি বা রাতে বেসরকারি বাসে পুরুলিয়া হয়ে চারচাকায় অযোধ্যা পাহাড় যেতে পারেন ।কোলকাতা থেকে নিজের গাড়িতে আরামবাগ, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, আরষা হয়ে আনুমানিক ৩২০ কিলোমিটার অযোধ্যা পাহাড়।
![]()

More Stories
অফিসে ৩০ মিনিটের ‘হস্তমৈথুন বিরতি’! সংস্থার সিদ্ধান্তে নাকি আরও তরতাজা কর্মীরা
হিমালয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল আখরোট: স্বাস্থ্য ও পরিবেশ—দু’দিকেই উপকারী
আগামী ১০–১৫ বছরে হারিয়ে যেতে পারে একটি প্রজন্ম