সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ বেন বেন পিরামিড একটি অতিপ্রাকৃত রহস্যের উৎস, যা অনেক বছর ধরেই মানুষের কৌতূহল ও গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি মিশরের কায়রো জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকলেও, তার নির্মাণ পদ্ধতি এবং উপাদান নিয়ে এখনও কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে, এই পিরামিডের ব্যবহৃত কালো পাথরটির বৈশিষ্ট্যগুলো অত্যন্ত বিস্ময়কর। এই পাথরটি যা “উল্কাপিণ্ডীয় লোহা” নামে পরিচিত, পৃথিবীতে পাওয়া যায় না এবং এটি মহাকাশ থেকে আসা একটি অতি শক্তিশালী পদার্থ। এর কঠিন গঠন এই পাথরকে কাটা বা খোদাই করতে অসম্ভব করে তোলে, তবে যেভাবে বেন বেন পিরামিডের কোণ ও বাঁকগুলো নিখুঁতভাবে খোদাই করা হয়েছে, তা আজও বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। পিরামিডটির পৃষ্ঠগুলোও অত্যন্ত মসৃণ এবং চকচকে, যা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, পিরামিডটির নির্মাণে লেজার প্রযুক্তির ব্যবহার হতে পারে, যেটি তখনকার কোনো সভ্যতায় সম্ভব ছিল না। এছাড়া, এই উল্কাপিণ্ডীয় লোহা পাথরটি অত্যন্ত শক্তিশালী তড়িৎচুম্বকীয় শক্তি উৎপন্ন করে। এই শক্তির কারণে পিরামিডের কাছাকাছি যেকোনো ব্যক্তি এক ধরনের মানসিক স্বস্তির অনুভূতি পায়। এটি আরো রহস্যময় কারণ, তাড়িত শক্তি মানুষের মনের ওপর যে প্রভাব ফেলতে পারে, তা প্রাচীন প্রযুক্তির গভীর জ্ঞানকেই ইঙ্গিত দেয়। এমন একটি বস্তু, যা কোনো পুরনো বা আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এত নিখুঁতভাবে তৈরি হতে পারে, আমাদের অতীতের সভ্যতাগুলির সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে। এর রহস্য শুধু আমাদের ইতিহাস নয়, বর্তমান প্রযুক্তি সম্পর্কেও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এখনো এর উৎপত্তি, নির্মাণ পদ্ধতি এবং শক্তির উৎসের সন্ধান করছেন।
![]()

More Stories
রহস্যময় গাছ! রাতের অন্ধকারেই জ্বলে উঠবে আলো!
সয়াবিন তেলে ‘হেক্সেন’ আতঙ্ক: পেটের অসুখের মূলেই কি রান্নার তেল?
বিষ খাওয়ার চেয়ে পোকা খাওয়া ভালো!