সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃগতকাল নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক কোয়ান্টাম কমিউনিকেশন কনক্লেভ-এ কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেছেন যে, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আমাদের দেশে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে। যেসব সমস্যাকে একসময় অসম্ভব মনে করা হত, এখন তা অনেক সহজভাবে সমাধান করা যাবে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মাধ্যমে।ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি শুধু কম্পিউটিং নয়, বরং যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও বিপ্লব ঘটাতে চলেছে। নতুন পদ্ধতি ও প্রযুক্তি দেশকে আরও শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর করে তুলবে।
সাধারণ কম্পিউটিং (ক্লাসিক্যাল কম্পিউটিং):
সাধারণ কম্পিউটার (যেমন আপনার ল্যাপটপ, মোবাইল) তথ্য বিট (bit) দিয়ে কাজ করে।
বিট মানে হল একটা সময় বা তো ০ (শূন্য) নয়তো ১ (এক) — ঠিক একসঙ্গে একটাই মান থাকতে পারে।
কম্পিউটার বিটগুলো জোড়া লাগিয়ে নানা জটিল কাজ করে, যেমন গাণিতিক হিসাব, ইমেল পাঠানো বা ছবি এডিট করা ইত্যাদি।
কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
কোয়ান্টাম কম্পিউটার তথ্য কিউবিট (qubit) দিয়ে কাজ করে।
কিউবিট একসঙ্গে ০ এবং ১ — দুটো অবস্থা একসঙ্গে ধরে রাখতে পারে (এটাকে বলে সুপারপজিশন)।
এর ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার একসঙ্গে অনেক হিসাব করতে পারে, যেটা সাধারণ কম্পিউটারে অসম্ভব বা সময়সাপেক্ষ।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার জটিল সমস্যাগুলি (যেমন বড় বড় ডেটা বিশ্লেষণ, সাইবার সিকিউরিটি, নতুন ওষুধ আবিষ্কার) অতি দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম।
সংক্ষেপে বললে:
সাধারণ কম্পিউটার ধাপে ধাপে কাজ করে।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার অনেক কাজ একসঙ্গে করতে পারে, তাই অনেক বেশি শক্তিশালী।

![]()

More Stories
রবি শস্য চাষে রেকর্ড বৃদ্ধি: ৬৭৬ লক্ষ হেক্টর ছাড়াল আবাদ, গমে ৩৩৫ লক্ষ হেক্টর
বৈষ্ণোদেবী দর্শনে এসে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য কাটরা–শ্রীনগর রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলমন্ত্রক
লোকসভায় বিশৃঙ্খলা: বাজেট অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য আট বিরোধী সাংসদ সাসপেন্ড