সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি আশ্রম সংলগ্ন সমুদ্রতট রক্ষা ও নদী ভাঙন প্রতিরোধে কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চয়তার মুখে। এই প্রকল্পে বিশ্বব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের ছাড়পত্র না মেলার অভিযোগ তুললেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।
মন্ত্রী বলেন, “গঙ্গাসাগর সহ সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশে ভাঙন প্রবণ এলাকা রয়েছে। কপিলমুনি আশ্রমের পাশের এলাকা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেখানে সমুদ্রতট সংস্কার এবং বাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি আটকে রেখেছে, যার ফলে জরুরি প্রকল্পে দেরি হচ্ছে।”
সূত্রের খবর, সুন্দরবনের ভাঙনপ্রবণ ২৮টি এলাকা চিহ্নিত করে সেগুলির রক্ষা ও স্থায়ী সমাধানের জন্য বিশ্বব্যাঙ্ক প্রায় ৪২,০০০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের ছাড়পত্র না পাওয়ায় প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরার দাবি, “রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বহু আগেই জমা দিয়েছে। তবুও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে শুধু গঙ্গাসাগর নয়, গোটা সুন্দরবনের উপকূলবর্তী জনজীবন বিপদের মুখে পড়ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এই প্রকল্পে রাজনীতির স্থান নেই। মানুষ বাঁচানোই মুখ্য। কেন্দ্রীয় সরকার যেন এই বিষয়ে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে।”
প্রতিবছর বর্ষা ও জোয়ারের সময় সুন্দরবনের বহু অংশে নদীভাঙন বাড়ে। কপিলমুনি আশ্রম সংলগ্ন গঙ্গাসাগর এলাকায় ইতিমধ্যেই মাটি সরে গিয়ে মন্দির ও জনবসতির উপর চাপ তৈরি হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

![]()

More Stories
ভিভিজি রামজি প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ, জেলায় যাচ্ছে ৪২৫ কোটি টাকা
চা শ্রমিক ও পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ৩১২ কোটি টাকা বরাদ্দ
ফসল বিমায় ৩২ লক্ষ কৃষক, দেশে দ্বিতীয় বাংলা: বন্যাকবলিত জেলাগুলিতে বিশেষ নজর সরকারের