সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ চৈত্র মাসের শেষ দিনকে ঘিরে আজ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হচ্ছে ছাতু সংক্রান্তি। বাংলা বছরের অন্তিম দিনে এই প্রাচীন লোকউৎসবকে ঘিরে গ্রামবাংলায় উৎসবের আমেজ চোখে পড়ার মতো।
এই বিশেষ দিনে ছাতু খাওয়ার রীতি বহুদিনের। ভাজা ছোলা বা বিভিন্ন শস্য থেকে তৈরি ছাতু জল, দই বা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। গরমের শুরুতে শরীর ঠান্ডা রাখা এবং শক্তি জোগাতে এই খাদ্যকে অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়।
ভোরবেলা স্নান সেরে অনেকেই পুজো অর্চনা করেন। এরপর বাড়িতে ছাতু প্রস্তুত করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিলি করা হয়। অনেক জায়গায় দরিদ্রদের মধ্যে ছাতু, ফল ও ঠান্ডা পানীয় দান করার প্রথাও রয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় আজ ছোটখাটো মেলা ও সামাজিক আয়োজনেরও দেখা মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ছাতু সংক্রান্তি শুধু একটি খাদ্যসংস্কৃতি নয়, বরং এটি সামাজিক বন্ধন ও ঐতিহ্যের প্রতীক।
উল্লেখ্য, ছাতু সংক্রান্তির পরদিনই পালিত হয় পয়লা বৈশাখ, যা বাঙালির নববর্ষ হিসেবে পরিচিত। তাই এই দিনটি পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতির দিন হিসেবেও বিবেচিত হয়।
চিকিৎসকদের মতে, প্রচণ্ড গরমে শরীর সুস্থ রাখতে ছাতু একটি আদর্শ খাদ্য। এতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
সর্বোপরি, ঐতিহ্য, স্বাস্থ্য ও সামাজিকতার মেলবন্ধনে ছাতু সংক্রান্তি আজও বাঙালির জীবনে এক বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

![]()

More Stories
সাসপেনশন থেকে বিধানসভা—দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অপমান আর লড়াইয়ের নাম দেবাশীষ ধর
হরবোলা সুরের জাদুকর আর নেই, প্রয়াত পদ্মশ্রী মঙ্গলা কান্ত রায়
নবান্নে সেনসাস সম্মেলন: ১ আগস্ট থেকে জনগণনার সূচনা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর