সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিবাদের জেরে অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কোনও গোষ্ঠীই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম কিংবা দলের সংরক্ষিত ‘ঘাসের উপর জোড়া ফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আসন্ন উপনির্বাচনের কথা মাথায় রেখে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে দুই গোষ্ঠীই তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। ফলে একই দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সম্ভাবনা এড়াতে আপাতত দু’পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীকে নির্বাচনে লড়তে হবে।
নির্দেশে কমিশন দুই গোষ্ঠীকে নিজেদের জন্য তিনটি করে বিকল্প নাম এবং তিনটি করে মুক্ত প্রতীকের পছন্দ জানাতে বলেছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখান থেকে কমিশন উপযুক্ত নাম ও প্রতীক নির্ধারণ করবে।
তবে নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। দলীয় নাম ও নির্বাচনী প্রতীকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের দাবির বিষয়ে Election Symbols (Reservation and Allotment) Order, 1968-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী পর্যায়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ আপাতত উপনির্বাচনের স্বার্থে এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে, কিন্তু কোন পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের মূল নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকারী হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।
কমিশন তার অন্তর্বর্তী নির্দেশে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষার কথা উল্লেখ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাই আসন্ন উপনির্বাচনে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম বা পরিচিত জোড়াফুল প্রতীক কোনও গোষ্ঠীর প্রার্থীই ব্যবহার করতে পারবেন না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর প্রার্থীদের পৃথক নাম ও প্রতীকে ভোটের ময়দানে নামতে হবে। একই সঙ্গে দলীয় নাম ও প্রতীকের চূড়ান্ত অধিকার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

![]()

More Stories
এক বছরে পাঁচ লক্ষ কারিগরকে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনায় যুক্ত করার লক্ষ্য
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে গঙ্গাসাগরে বিশেষ সাগর-আরতি, কপিলমুনি আশ্রমে প্রদীপ প্রজ্বলন
সময়সীমার আগেই জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ রাজ্যে, ৩ কোটি ৬৮ লক্ষের বেশি বাড়ির তথ্য সংগ্রহ