সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: আসন্ন শারদীয়া দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে চাতরায় আয়োজিত হল এক মানবিক উদ্যোগ। রামকৃষ্ণ মঠ, কামারপুকুরের সহযোগিতায় এবং স্বামী বিবেকানন্দ অনুধ্যান ও সেবা সংঘ, চাতরা-র ব্যবস্থাপনায় চাতরা হাই স্কুলের মাঠে আয়োজন করা হয় বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের। কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত।
শারদীয়া দুর্গাপুজোর আগে এলাকার প্রায় ৩০০ জন মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের দুই সন্ন্যাসী—সুনিষ্ঠানন্দজি ও প্রভু কৃপানন্দজি—উপস্থিত থেকে মহিলাদের হাতে পুজোর উপহার হিসেবে নতুন পোশাক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুনিষ্ঠানন্দজি বলেন, উৎসব তখনই সত্যিকারের সম্পূর্ণ হয়, যখন তার আনন্দ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরকে দেখার আদর্শে মানবসেবাকেই এক ধরনের পূজা হিসেবে দেখার কথা তুলে ধরেন তিনি। শারদীয়া উৎসব যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, সেই সময়েই মানুষের মুখে হাসি ফোটাতেই এই বস্ত্র বিতরণের আয়োজন বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্বামী বিবেকানন্দ অনুধ্যান ও সেবা সংঘের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, অনুরাগী এবং ভাদুর মণ্ডলের স্বয়ংসেবকদেরও উপস্থিতি ছিল। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে হেমন্ত মণ্ডল জানান, এই ধরনের সমাজসেবামূলক কাজে বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষ তাঁদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সম্পাদক অভিজিৎ মন্ডল জানান শুধু বস্ত্র বিতরণ নয়, নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির পাশাপাশি যুব সমাজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য শাখা কার্যক্রম এবং যোগব্যায়ামেরও আয়োজন করা হয়।
পজোর আগে নতুন বস্ত্র হাতে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মহিলারা। তাঁদের কথায়, নতুন পোশাকটি এবারের দুর্গাপুজোয় ব্যবহার করবেন। পুজোর আনন্দের সঙ্গে জড়িয়ে গেল এই উপহারও।
উৎসবের আনন্দ শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া—চাতরার এই উদ্যোগে সেই বার্তাই যেন আরও একবার সামনে এল। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের মানবসেবার আদর্শের সঙ্গে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগ মিলে তৈরি করল এক আন্তরিক সেবার পরিবেশ।
দুর্গাপুজোর আগে আনন্দ ভাগ করে নিতে চাতরায় মানবিক উদ্যোগ। রামকৃষ্ণ মঠ, কামারপুকুরের সহযোগিতায় এবং স্বামী বিবেকানন্দ অনুধ্যান ও সেবা সংঘ, চাতরার ব্যবস্থাপনায় চাতরা হাই স্কুলের মাঠে আয়োজিত হল বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। প্রায় ৩০০ জন মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেন কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের দুই মহারাজ—সুনিষ্ঠানন্দজি ও প্রভু কৃপানন্দজি।
সুনিষ্ঠানন্দজি বলেন, উৎসব তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। মানুষের সেবাই যে ঈশ্বরের সেবা—এই ভাবনাতেই এই উদ্যোগ। উদ্যোক্তারা জানান, বস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি সারা বছর বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচি এবং যুব সমাজের জন্য যোগব্যায়াম ও শাখা কার্যক্রম চালানো হয়।
পুজোর আগে নতুন পোশাক হাতে পেয়ে খুশি মহিলারাও। তাঁদের মুখের হাসিতেই যেন সার্থক হল এই সেবার উদ্যোগ।

![]()

More Stories
ঘুষ নিতে গিয়ে হাতে-নাতে ধরা হুগলি জেলা পরিষদের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুমন দাস
সংঘর্ষ-সন্ত্রাসের সেই দিন থেকে আজকের সংগঠন, বিমান ঘোষকে ঘিরে দিলীপ ঘোষের স্মৃতিচারণায় উঠে এল আরামবাগের লড়াইয়ের গল্প
ট্রেনে চেপে আরামবাগে এলেন মা দুর্গা, ‘মহিলা কামরা’য় লেখা প্ল্যাটফর্মে নামল প্রতিমা