সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: আষাঢ় মাস ছিল কার্যত বৃষ্টি শূন্য। প্রতিদিন সকালে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে শ্রাবণ মাসটাও বৃষ্টি শূন্যতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। একরাশ হতাশা যখন ধীরে ধীরে চাষী সহ রাজ্য কৃষি দপ্তরের অধিকর্তাদের গ্রাস করছিল ঠিক তখনই প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বরুণদেবের রুদ্র রূপের সাক্ষী থাকল পূর্ব বর্ধমানের গলসী এলাকার চাষীরা।গত কয়েকদিনের মত সকাল থেকে আকাশে মেঘ ঘোরাফেরা করলেও বৃষ্টির প্রত্যাশা করেনি চাষীরা। অন্যান্য দিনের মত মাঝে মাঝে ছিটেফোটা বৃষ্টি অবশ্য হচ্ছিল। সাবমার্সিবেলের জল দিয়ে চাষের কাজটা টুকটাক হচ্ছিল। তারপর সবাইকে চমকে দিয়ে শুরু হয় মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। একই গতিতে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হওয়ার ফলে বহু জায়গায় চাষের জমির আলের অস্তিত্ব সাময়িক ভাবে লোপ পায়। ধানের চারা রোপণ করতে যাওয়া কৃষি শ্রমিকরা মাঝপথেই জমি থেকে উঠে আসতে বাধ্য হয়। ধানের চারা পড়ে থাকে মাঠে। মাঠের ধারে থাকা কৃষিজমি ও পুকুর মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। হলদি থেকে খানা জংশন যাওয়ার পথে বেশ কয়েকটি জায়গায় রাস্তার উপর জল উঠে যায়। অনেক জায়গায় কচিকাচাদের মাছ ধরতে দেখা যায়।
![]()

More Stories
মধ্যমগ্রামে গুলি, খুন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক—চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যে
বিস্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সংবর্ধনা, উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ
পঁচিশে বৈশাখে ব্রিগেডে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদী–অমিত শাহ