সোমালিয়া সংবাদ, পূর্ব বর্ধমান: যে কোনও দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সেই দেশের যুবক তথা ছাত্র সমাজ। অকুতোভয় এই যুব সমাজের হাত ধরেই আসে নানা পরিবর্তন। দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ঘটনা সহ সমস্ত বিষয়ে যুব সমাজের ভূমিকা হয়ে ওঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক ভাবেই প্রাসঙ্গিক বিষয়ে তাদের সচেতন করা খুব জরুরি হয়ে পড়ে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে জাতিসংঘ যুব সমাজের জন্য সচেতনতামূলক দিবসের কথা অনুভব করে। তারই ফলশ্রুতি হিসাবে ১২ ই আগষ্ট দিনটিকে বিশ্ব যুব দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২০০০ সালের ১২ ই আগস্ট দিনটি প্রথম বিশ্ব যুব দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়। মূল লক্ষ্য ছিল সমাজ গঠনে যুব সমাজের ভূমিকা নিয়ে তাদের সচেতন করা। তারপর থেকেই বিশ্বের প্রতিটি দেশ ১২ ই আগস্ট দিনটি বিশ্ব যুব দিবস হিসাবে পালন করে চলেছে।যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের এন.এস.এস অর্থাৎ জাতীয় সেবা প্রকল্পের পক্ষ থেকে তেইশ তম বিশ্ব যুব দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসাবে এন.এস.এস এর সিনিয়র ও জুনিয়র সদস্যরা র্যালি করে। আজাদী কি মহোৎসব’ কার্যক্রমের অন্তর্গত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অর্থাৎ ‘সব ঘরে পতাকা’ উত্তোলন করার জন্য সেখানকার প্রতিটি বাড়িতে একটি করে জাতীয় পতাকা দেওয়া হয় এবং এর গুরুত্ব তাদের বুঝিয়ে বলা হয়। শুধু তাই নয় পথ চলতি মানুষের হাতেও তুলে দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা। এরপর সদস্যরা মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ফিরে আসে এবং সেখানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
![]()

More Stories
আনিস খান, তমন্না খাতুন, ঊষারানি ও দেবু দাস হত্যাকাণ্ডে বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবারগুলি, ডিজির সঙ্গে সাক্ষাতের নির্দেশ
পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় দণ্ডিত রশিদ খানের মুক্তিতে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ