February 4, 2026

প্লাটিনাম জয়ন্তী পালিত হল গুসকরা বালিকা বিদ্যালয়ে

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: রামমোহন, বিদ্যাসাগরের হাত ধরে ধীরে ধীরে নারী শিক্ষার প্রসার ঘটতে শুরু করেছে এই বাংলায়। বেশ কিছু ভারতপ্রেমী ইংরেজ শিক্ষাবিদও একই পথের পথিক হন। সবার প্রচেষ্টায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠে একাধিক বালিকা বিদ্যালয়। দুর্ভাগ্যবশত তখনও অবিভক্ত বর্ধমানের গুসকরায় কোনো বালিকা বিদ্যালয় গড়ে ওঠেনি । এনিয়ে গুসকরাবাসীর মনে একটা আক্ষেপ থেকে গিয়েছিল। যতই হোক আশেপাশের এলাকায় গুসকরার একটা আলাদা মর্যাদা ও পরিচিতি আছে। তাদের আক্ষেপ থাকাটা স্বাভাবিক।এসব ইংরেজ আমলের ঘটনা।তবে গুসকরা হলো বহু কৃতি মানুষের ধাত্রীভূমি। এখানে এই আক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই সেই আক্ষেপ দূর করতে এগিয়ে এলেন দুই কৃতি সন্তান ডা. অমূল্য বসু ও ডা. বিজয় গড়াই। পাশে পেলেন আরও একগুচ্ছ কৃতি সন্তানকে যারা প্রত্যেকেই ছিলেন ‘গুসকরা গৌরব’। জমি সমস্যা মেটাতে এগিয়ে এলেন চোংদার পরিবার সহ অন্যান্যরা। এমনকি গুসকরার বাইরের অনেক সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় তৈরির উদ্দেশ্যে জমিদান করলেন। অবশেষে সবার প্রচেষ্টায় গুসকরাবাসীর আক্ষেপ দূর করে দিনের আলোর মুখ দেখল গুসকরা বালিকা বিদ্যালয়। ১৯৪৮ সালের ১ লা মে পাঁচজন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে গুসকরাবাসীর স্বপ্নের বালিকা বিদ্যালয়। মূলত নারী শিক্ষার উন্নয়ন ছিল বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য এবং গত পঁচাত্তর বছর ধরে সেই লক্ষ্যেই সফলভাবে এগিয়ে চলেছে বিদ্যালয়টি।১২ ই জানুয়ারি ছিল গুসকরা বালিকা বিদ্যালয়ের তিনদিন ব্যাপী প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী উৎসবের প্রথম দিন। ব্যাণ্ড সহযোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি পরিক্রমা করে শহরের বিভিন্ন এলাকা। পেশাদার ব্যাণ্ড বাদকদের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদেরও ব্যাণ্ড বাজাতে দ্যখা যায়। র‍্যালিতে পা মেলান পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা পৌরপ্রধান, উপ-পৌরপ্রধান সহ অন্যান্য কাউন্সিলাররা, বর্তমান-প্রাক্তন শিক্ষিকা ও ছাত্রীরা এবং শহরের বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষাবিদ

Loading