সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: মাত্র কয়েকদিন পর রঙের উৎসব দোলে মেতে উঠবে আপামর বাঙালি। পরস্পরকে রঙ মাখিয়ে রঙিন হয়ে উঠবে আট থেকে আশি। ‘আজ হোলি খেলব শ্যাম তোমার সনে’ মন্ত্রে দীক্ষিত প্রেমিক-প্রেমিকরা এই সুযোগে নিজেদেরকে আবির দিয়ে রাঙিয়ে নেবে। কোথাও আবার দোল উৎসবের আকার ধারণ করবে। গোটা পাড়া বেরিয়ে পড়বে আবির হাতে। সবচেয়ে বেশি উৎসাহ কচিকাঁচাদের। সেদিন যাতে উৎসবের আয়োজনের মধ্যে কোনো ফাঁক না থাকে তার জন্য এখন থেকে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তারা। এরকমই একটা দৃশ্য চোখে পড়ল গুসকরা পুরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মুখার্জ্জী পাড়ায়।গত কয়েকবছর ধরে এখানে দোল উৎসবের আকার ধারণ করেছে। রঙ ভর্তি রঙিন মাটির হাঁড়ি ও রঙিন কাগজের শিকল দিয়ে সেজে উঠবে পাড়া। প্রায় গোটা পঞ্চাশ হাঁড়ি কিনে সেগুলোর উপর আল্পনা আঁকতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুই ক্ষুদে কস্তুরী ও বৃষ্টি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি হাঁড়ি রঙিন করার কাজ শেষ। পড়াশোনার ফাঁকে বাকিগুলো রঙিন করে তোলার জন্য তারা যথেষ্ট তৎপর। মাঝে মাঝে অবশ্য বাড়ির গুরুজনরা সাহায্য করতে এগিয়ে এলে শুরু হচ্ছে কৃত্রিম খুনসুটি।ছোট্ট কস্তুরীর বক্তব্য – রঙের উৎসব দোলের সময় রঙিন তো হতেই হবে। রঙিন হাঁড়িগুলো থেকে সবার মাথায় যখন – কথা শেষ না করে কিশোরীসুলভ খিলখিল হাসিতে লুটিয়ে পড়ে সে। তার কথার সুরে সুর মিলিয়ে বৃষ্টির বক্তব্য – সেদিন সবাই মিলে আবির মেখে খুব আনন্দ করব। তাইতো এই হাঁড়িগুলো রাঙিয়ে নিচ্ছি। যদিও সমস্ত পরিকল্পনা তারা ভেঙে বললনা, চমক দেওয়ার জন্য গোপন রাখল।
![]()

More Stories
১৩ বছর পর রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরছে সচিবালয়, জোরকদমে পরিকাঠামো তৈরির কাজ
ভিভিজি রামজি প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ, জেলায় যাচ্ছে ৪২৫ কোটি টাকা
চা শ্রমিক ও পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ৩১২ কোটি টাকা বরাদ্দ