সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: বিরাট বিদ্যালয় ভবন। প্রচুর ছাত্রছাত্রী। শিক্ষকও পর্যাপ্ত। কিন্তু দুপুরে এক রকম খাঁ খাঁ করছে ঘরগুলো। মুর্শিদাবাদের ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া শমসেরগঞ্জের ভাসাই পাইকর হাই স্কুলে ৯৩২৭ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে উপস্থিতির হার ৭.৬ শতাংশ। পঞ্চায়েত ভোট মেটার পরে স্কুল খুললেও এই অবস্থা। প্রধান শিক্ষক তাসিকুল ইসলাম তাই মাইক ভাড়া করে মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে আসার জন্য আবেদন করছেন। তাসিকুলের বক্তব্য, ‘‘ছুটির বাড়বাড়ন্তই শেষ করে দিল স্কুলটাকে।’’ লম্বা গরমের ছুটির পরে স্কুল খুলে ফের ২৩ জুন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বন্ধ হয়। আবার খোলে ১৩ জুলাই। তাসিকুলের দাবি, ‘‘ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসার আগ্রহই হারিয়ে ফেলছে। অথচ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ফেব্রুয়ারিতে। তার উপরে সামনেই আবার পুজোর ছুটি।’’সুতির ছাবঘাটি হাই স্কুলে ১০,৩০০ জন পড়ুয়া। গরমের ছুটির পরে যে চার দিন স্কুল খোলা ছিল, উপস্থিতির হার ছিল ১১ শতাংশ। এর পরে ভোটের জন্য আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা চলে আসেন, স্কুলও বন্ধ হয়ে যায়। জওয়ানেরা এখনও রয়েছেন। স্কুলও খোলেনি। প্রধান শিক্ষক কৌশিক দাস বলছেন, “একে তো মাত্রাতিরিক্ত গরমের ছুটি, তার পরেও ভোটের জন্য প্রায় ২০ দিন ধরে স্কুল বন্ধ। সবাইকে বলেছি স্কুলটা খুলতে দিন, বাহিনী সরান। সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে ছেলেমেয়েদের।’’ এই স্কুল লাগোয়া এলাকা বিড়ি শ্রমিকদের মহল্লা বলে পরিচিত। বছরে ২২০ দিন ক্লাস হওয়ার কথা। স্কুল কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এ বছর ১০০ দিনও স্কুল করা যাবে না। কৌশিক জানাচ্ছেন, গ্রামাঞ্চলে স্কুলই এক মাত্র ভরসা অনেকের। সেখানে পড়াশোনার সুযোগ কমে গেলে পড়ুয়ারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে।
![]()

More Stories
টুলু মণ্ডলের গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজের আবেদন খারিজ কলকাতা হাইকোর্টে
উদ্বৃত্ত কয়লা বিক্রিতে ১ হাজার কোটির বেশি আয়ের সম্ভাবনা, NTPC-র সঙ্গে WBPDCL-এর চুক্তি
পশ্চিমবঙ্গের একটি রাজ্যসভা আসনে উপনির্বাচন ১৬ অক্টোবর, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে মনোনয়ন