সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: হুগলির বাঁশবেড়িয়ার সাহাগঞ্জ মাঠে আজ সোমবার একটি জনসভায় করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ঠিক তার দু’দিন পরেই পাল্টা সভা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আসার জন্য এই মাঠে আনাগোনা চলছে দুই দলের নেতা মন্ত্রীদের। মাঠের এলাকায় এখন সাজো সাজো রব। এসবকে অবশ্য পাত্তাই দিয়ে চান না বন্ধ হয়ে যাওয়া ডানলপ কারখানার শ্রমিকেরা। মাঠের জঙ্গল পরিষ্কার হয়েছে, আলো বসেছে, কিন্তু অন্য দিকে একেবারে অন্ধকারে এখানকার বসবাসকারীরা। সেই কবে বন্ধ হয়েছে একসময়ের এশিয়ার বৃহত্তম টায়ার কারখানা। সেই ২০০১ সালে কারখানার গেট বন্ধ হয়েছে, এর মাঝে অবশ্য দু’একজন শিল্পপতি কারখানটিকে চালানোর চেষ্টা করলেও তাতে কোনো লাভ হয়নি। উল্টো দিন যত গিয়েছে কারখানার ভেতরে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি এক এক করে চুরি হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে কারখানা চত্ত্বর জুড়ে শ্মশানের নিস্তব্ধতা। ভোট আসলেই কত প্রতিশ্রুতি নিয়ে নেতা-মন্ত্রীদের আনাগোনা থাকে। কিন্তু এরপর কারোর দেখা পাওয়া যায় না। পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ পরিষেবা, সব কিছুতেই পিছিয়ে এখানকার মানুষেরা। তাঁদের একটাই প্রশ্ন, জনসভা ভোট এলেই প্রতিশ্ররুতির বন্যা বয়, কিন্তু বকেয়া টাকা-পয়সা নিয়ে কেউ কিছু বলে না। কারখানা নিয়ে কেউ সদর্থক ভুমিকা নেয় না। ভোট দোরগোড়ায়। এবারও কি প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যাবে এখানে..? না তাদের দাবিগুলো পূরণ করবে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই দিকে তাকিয়ে বন্ধ কারখানার শ্রমিকেরা।
![]()

More Stories
আরামবাগ প্রশাসনিক জেলা গঠন নিয়ে হুগলিতে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক, প্রশাসনিক রূপরেখা নিয়ে জোর আলোচনা
তাঁত শিল্পীদের জন্য স্বাস্থ্যমেলা ও স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা, জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে বড় ঘোষণা
অসংগঠিত ক্ষেত্রের মহিলাদের বেতন-সহ মাতৃত্বকালীন ছুটির পক্ষে সওয়াল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর