February 4, 2026

ছবিঃ সৌজন্যে গুগল

ভাতের ফ্যান ফেলে দেন? দেখুন তার কত গুণ

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: আগেকার  দিনে একান্নবর্তী পরিবারে অনেকেরই ফ্যান ভাত খেয়ে স্কুল-কলেজ, অফিস যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই ভাতের ফ্যান ফেলে দিই। গ্রামের মানুষরা সাধারণত সেই ফ্যান বাড়ির গৃহপালিত পশুদের খাবারের জন্য ব্যবহার করেন। ভাতের ফ্যান বিভিন্ন মিনারেল, ভিটামিন-এ ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ। যা চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ভাতের ফ্যানে আট ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। দুর্বল পেশী গঠনে ভাতের ফ্যান সাহায্য করে।
ভাতের ফ্যান ঠান্ডা করে তুলোয় করে সারা মুখে মাখুন, কিছুক্ষণ রেখে তারপর মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকের জেল্লা বেড়ে যাবে। ত্বক টানটান হবে। মুখের বলিরেখা রোধ করতে বিশেষ কার্যকরী এই ফ্যান।
হঠাৎ ডায়েরিয়া হয়ে গেলে এক গ্লাস কুসুম গরম ভাতের ফ্যানের সাথে কিছুটা লবণ মিশিয়ে খেলে খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে।
যাদের একজিমা আছে তারা চাল ধোয়ার জল দিয়ে একজিমার স্থান ভাল করে ধুয়ে নিন। যতদিন না ভাল হচ্ছে ততদিন লাগাতে পারেন।
গরম জলে চাল কিছুক্ষণের জন্য ফুঁটিয়ে নিন। তারপর সেই ভাতের ফ্যান ঠান্ডা করে শরীরে কোথাও কোন চুলকানি বা ফুলকনা বের  হলে, ভালো ফল পেতে কুড়ি মিনিট ওই ফ্যানের প্রলেপ দিয়ে রাখুন।
মাথার চুল শ্যাম্পু করার পর ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর ভাতের ফ্যান কয়েক মিনিটের জন্য ভাল করে মাথায় মেখে রাখুন। কিছুক্ষণ পর চুল ধুয়ে নিন। কিছুদিনের মধ্যেই দেখবেন চুল ঝলমলে ও মসৃন হয়ে গেছে। চুলের ডগা ফাটায় বিশেষ কার্যকরী এই ভাতের ফ্যান। তবে ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।

Loading