নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান অঙ্গ। আর তাই সেই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার দায়িত্ব প্রশাসনের। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ভূমিকাও কম নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই গড়ে উঠতে পারে সুস্থ গণতন্ত্র। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় নির্বাচনের প্রচারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা-নেত্রী কুকথার ফুলঝুরি ঝরিয়ে দেন, আশ্রয় নেন হিংসার। লুঠ করা হয় নাগরিক অধিকারের। ফলে ধরা পড়ে না সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত মতামতের সঠিক বহিঃপ্রকাশ। যা সুস্থ গণতন্ত্র গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। তাই সুষ্ঠু পরিবেশে সঠিকভাবে নির্বাচন প্রত্যেক নাগরিকেরেই কাম্য। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই নির্ঘন্ট ঘোষণা করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যদিও তার আগে থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির কিছু নেতা-নেত্রীর মন্তব্য ও আচরণে বাংলার সংস্কৃতি অনেকটাই ক্ষুন্ন হচ্ছে। আগামী দিনগুলিতে এই ধারা যাতে বন্ধ হয় সে ব্যাপারে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকেই সচেষ্ট হতে হবে। দলের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল হওয়া উচিৎ। তাঁদের প্রত্যেকে নিজ নিজ দলের নেতা-নেত্রীদের সংযত থাকার পরামর্শ দিলে এই পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি হবে না। আর তাহলেই একমাত্র এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে, সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের মতামত প্রকাশের মাধ্যমে গড়ে উঠতে পারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ।
![]()

More Stories
কয়লা পাচার কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গে ইডির তল্লাশি অভিযান, দুর্গাপুর ও বুদবুদে হানা
দিল্লিতে রাজ্য পুলিশের বাড়তি টিম, ২২ জনের দল রাতের বিমানে রওনা
লোকভবনে রাজ্যপালের কাছে SIR সংক্রান্ত দাবিপত্র বিজেপি বিধায়কদের