সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ প্রায় এক দশক ধরে থমকে থাকা তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পে আশার আলো জ্বলতে শুরু করেছে। প্রকল্পের অন্যতম প্রধান অন্তরায় — ভাবাদিঘির জমি ও দিঘির মাছ চাষ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বুধবার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আরামবাগ মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে।
এই বৈঠকে আন্দোলনকারী গ্রামের পক্ষ থেকে ২৪ জন প্রতিনিধি যোগ দেন। অন্যদিকে প্রশাসনের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (এডিএম) অমৃতেন্দু পাল, হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃশানু রায়, আরামবাগ মহকুমা শাসক রবি কুমার, এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী, গোঘাট থানার আইসি মধুসূদন পাল, গোঘাট-১ নম্বর ব্লকের বিডিও সম্রাট বাগচী এবং রেল, ভূমি ও মৎস্য দফতরের একাধিক আধিকারিক।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাবাদিঘির জমি অধিগ্রহণ ও দিঘির মাছচাষ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ক্ষতিপূরণ, অন্যত্র মাছ চাষের ব্যবস্থা, অথবা সরকারি প্রকল্পে সংযুক্তিকরণের মতো প্রস্তাবগুলি আলোচনায় উঠে আসে।
হুগলি এডিএম অমৃতেন্দু পাল বলেন,দিঘির মাছ চাষ নিয়ে একাধিক বিকল্প ভাবনা আলোচনা হয়েছে। আমরা আশাবাদী, দ্রুত সমাধান হবে। তবে আন্দোলনকারী পক্ষের নেতা সুকুমার রায় আশাবাদী নন। তিনি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তব সমাধান কতটা হবে, তা সময়ই বলবে। যে ভরসাহীনতা গ্রামবাসীদের মনে গেঁথে আছে, তা কাটানো সহজ হবে না।
এই রেল প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তার আগে ভাবাদিঘি সহ একাধিক এলাকার জমি সমস্যার নিষ্পত্তি জরুরি।

![]()

More Stories
আরামবাগ শহরজুড়ে বেহাল রাস্তা: গর্ত, পাথর উঠে বিপজ্জনক চলাচল—দুর্ঘটনার আশঙ্কা রামকৃষ্ণ সেতুর স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ, মার্চের মধ্যে কাজ শেষের আশ্বাস পিডব্লিউডি-র
আরামবাগে টেরাকোটার প্রাচীন মন্দিরগুলি ধ্বংসের মুখে
খানাকুলের গর্ব প্রদীপ্ত বাগ: ডব্লিউবিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে ডিএসপি পদে মনোনীত