সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ আজ পালিত হচ্ছে শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের তিরোধান দিবস। ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটিতে তিনি মহাসমাধিতে লীন হন। এই দিনে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্ত ও অনুরাগী তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব ছিলেন উনবিংশ শতকের এক বিরল আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, যিনি সহজ-সরল উপমা ও গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ধর্মকে মানুষের জীবনে সহজবোধ্য করে তুলেছিলেন। “যতো মত, ততো পথ” – এই সার্বজনীন মানবধর্মের বার্তাই ছিল তাঁর শিক্ষা, যা আজও সর্বধর্মের মিলনবিন্দু হয়ে আছে।
তিরোধান দিবসে কলকাতার দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির, কাশীপুর উদ্যানবাটি, এবং বেলুড় মঠে বিশেষ পূজা, ভক্তিমূলক সংগীত, হোমযজ্ঞ ও ধর্মসভার আয়োজন করা হয়। বেলুড় মঠে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সন্ন্যাসীরা সারাদিনব্যাপী পূজা-অর্চনা ও গীতাভিনন্দনের মাধ্যমে গুরুদেবকে স্মরণ করেন। ভক্তবৃন্দ উপবাস, নামসংকীর্তন ও দান-ধ্যানে অংশ নেন।
ঠাকুরের জীবন ও বাণী আজও সমাজকে সত্য, প্রেম ও সাম্যের পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্বমঞ্চে তাঁর ভাবধারাকে ছড়িয়ে দিয়ে ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন।
শ্রীশ্রী ঠাকুরের তিরোধান দিবসে তাঁর অমর বাণী সকলের হৃদয়ে নতুন করে জীবনের প্রেরণা জাগায়— “মানুষ সেবা করো, ঈশ্বর সেবা হবে।”

![]()

More Stories
প্রথম দিনেই বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, বিধানসভায় লাইভ সম্প্রচার ও বিরোধীদের মর্যাদার আশ্বাস
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে সরানো হল প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে
‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের উপভোক্তারাই এবার সরাসরি নতুন ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা পাবেন; মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল