November 30, 2025

মুখে রোগ, ঝুঁকি স্ট্রোকে—২১ বছরের গবেষণায় চমকে দেওয়া তথ্যস্টাফ রিপোর্টা

সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ মুখের স্বাস্থ্য অবহেলা করলে বিপদ ডেকে আনতে পারে মস্তিষ্কে—সাম্প্রতিক এক দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনার ২১ বছরের এক বিশদ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের একসঙ্গে মাড়ির রোগ ও দাঁতের ক্ষয় রয়েছে, তাঁদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি সুস্থ মুখগহ্বরের মানুষের তুলনায় ৮৬ শতাংশ বেশি

গবেষকদলের দাবি, প্রায় ৬ হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে দুই দশক ধরে পর্যবেক্ষণ করার পর এই চমকপ্রদ ফলাফল পাওয়া গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, দীর্ঘমেয়াদি মুখগহ্বরের প্রদাহ এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ রক্তনালিতে ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এর ফলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ে—যা ইস্কেমিক স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ।

গবেষণা বলছে, শুধুমাত্র দাঁতের সমস্যা নয়, দীর্ঘদিনের মুখের প্রদাহ নীরবে আঘাত করে যাচ্ছে হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্কে। ধূমপান, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো পরিচিত ঝুঁকি নিয়েও হিসেব করার পরও দাঁত ও মাড়ির রোগ স্ট্রোকের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এদিকে আরেকটি তথ্য নজর কেড়েছে গবেষকদের। সমীক্ষায় দেখা যায়, নিয়মিত দন্তচিকিৎসকের কাছে যাওয়া ব্যক্তিদের—

  • ৮১% কম সম্ভাবনা রয়েছে একই সঙ্গে দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগে আক্রান্ত হওয়ার,
  • এবং ২৯% কম ঝুঁকি রয়েছে শুধুমাত্র মাড়ির রোগ হওয়ার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত স্কেলিং, পেশাদার পরিষ্কার, দাঁতের ক্ষয় বা সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা—এসবই স্ট্রোকের মতো বড় ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণার মূল বার্তা পরিষ্কার—
মুখের সমস্যা শুধু দাঁত ও মাড়িতে আটকে নেই; তা নিঃশব্দে বাড়িয়ে তুলতে পারে জীবনঘাতী অসুস্থতার সম্ভাবনাও। তাই নিয়মিত দন্তপরীক্ষা ও মৌখিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা এখন সময়ের দাবি।

মুখে রোগ, ঝুঁকি স্ট্রোকে—২১ বছরের গবেষণায় চমকে দেওয়া তথ্য
স্টাফ রিপোর্টার

মুখের স্বাস্থ্য অবহেলা করলে বিপদ ডেকে আনতে পারে মস্তিষ্কে—সাম্প্রতিক এক দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনার ২১ বছরের এক বিশদ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের একসঙ্গে মাড়ির রোগ ও দাঁতের ক্ষয় রয়েছে, তাঁদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি সুস্থ মুখগহ্বরের মানুষের তুলনায় ৮৬ শতাংশ বেশি

গবেষকদলের দাবি, প্রায় ৬ হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে দুই দশক ধরে পর্যবেক্ষণ করার পর এই চমকপ্রদ ফলাফল পাওয়া গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, দীর্ঘমেয়াদি মুখগহ্বরের প্রদাহ এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ রক্তনালিতে ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এর ফলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ে—যা ইস্কেমিক স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ।

গবেষণা বলছে, শুধুমাত্র দাঁতের সমস্যা নয়, দীর্ঘদিনের মুখের প্রদাহ নীরবে আঘাত করে যাচ্ছে হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্কে। ধূমপান, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো পরিচিত ঝুঁকি নিয়েও হিসেব করার পরও দাঁত ও মাড়ির রোগ স্ট্রোকের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এদিকে আরেকটি তথ্য নজর কেড়েছে গবেষকদের। সমীক্ষায় দেখা যায়, নিয়মিত দন্তচিকিৎসকের কাছে যাওয়া ব্যক্তিদের—

  • ৮১% কম সম্ভাবনা রয়েছে একই সঙ্গে দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগে আক্রান্ত হওয়ার,
  • এবং ২৯% কম ঝুঁকি রয়েছে শুধুমাত্র মাড়ির রোগ হওয়ার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত স্কেলিং, পেশাদার পরিষ্কার, দাঁতের ক্ষয় বা সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা—এসবই স্ট্রোকের মতো বড় ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মুখের সমস্যা শুধু দাঁত ও মাড়িতে আটকে নেই; তা নিঃশব্দে বাড়িয়ে তুলতে পারে জীবনঘাতী অসুস্থতার সম্ভাবনাও। তাই নিয়মিত দন্তপরীক্ষা ও মৌখিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা এখন সময়ের দাবি।

Loading