সোমালিয়া ওয়েব নিউজ; ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া (ফেন্সিং) নির্মাণ সংক্রান্ত জমি অধিগ্রহণ ও হস্তান্তরের বিষয়ে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রাক্তন ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) সুব্রত সাহার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে যেসব জমি অধিগৃহীত হয়েছে এবং যার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা হয়েছে, সেই জমিগুলি দ্রুত সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে তুলে দিতে হবে। এই কাজ ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যেই সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণির জমির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। সেক্ষেত্রে জমি হস্তান্তরে আর বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি, দ্বিতীয় শ্রেণির জমির ক্ষেত্রে বাকি অধিগ্রহণ বা ক্রয় প্রক্রিয়া কীভাবে এগোচ্ছে, সে বিষয়ে রাজ্য সরকারকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) জমা দিতে বলা হয়েছে। আদালত স্পষ্ট করেছে, দ্বিতীয় শ্রেণির জমির অধিগ্রহণ বা ক্রয় প্রক্রিয়াও ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে তৃতীয় শ্রেণির জমি—যেখানে নতুন করে অধিগ্রহণের প্রশ্ন রয়েছে—সে বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ওই ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ভূমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারার প্রযোজ্যতা নিয়ে পক্ষগুলির বক্তব্য শোনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আদালত।এছাড়াও, রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী অন্তর্বর্তী শুনানি হবে ২ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ২টায়। উল্লেখ্য, এই জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের দীর্ঘ অংশ এখনও বেড়াবিহীন থাকার বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার দিক থেকে গুরুতর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, ইতিমধ্যে শুরু হওয়া বা সম্পন্ন হওয়া প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলি দ্রুত কার্যকর করাই এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার।




![]()

More Stories
ফসল বিমায় ৩২ লক্ষ কৃষক, দেশে দ্বিতীয় বাংলা: বন্যাকবলিত জেলাগুলিতে বিশেষ নজর সরকারের
তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করল নির্বাচন কমিশন
এক বছরে পাঁচ লক্ষ কারিগরকে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনায় যুক্ত করার লক্ষ্য