February 10, 2026

বেপরোয়া বাইক, বেআইনি ইঞ্জিন ভ্যান ও নিয়মভাঙা পার্কিং—চাপ বাড়ছে রাস্তায়, উদ্বেগে সাধারণ মানুষ

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ; দিন দিন রাস্তায় মোটরবাইকের সংখ্যা বাড়ছে, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। ট্রাফিক আইন না মেনে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানো, হেলমেট ব্যবহার না করা, অযথা প্রতিযোগিতার মানসিকতা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদের মধ্যেও হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।প্রতিদিন রাস্তায় দেখা যাচ্ছে কে আগে যাবে, সেই প্রতিযোগিতায় নিয়ম উপেক্ষা করে ছুটছে বাইক ও অন্যান্য যানবাহন। এর ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা থেকে বড় বিপদের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে রাস্তার ধারে, বিশেষ করে হোটেল ও রেস্টুরেন্টের সামনে বড় ট্রাক বা অন্যান্য গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার প্রবণতাও বাড়ছে। এতে রাস্তা সরু হয়ে যাচ্ছে এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী এভাবে রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করানো আইনবিরুদ্ধ এবং যেকোনো সময় নো-পার্কিং ফাইন হতে পারে। গাড়ির মালিকদের পাশাপাশি হোটেল ও দোকানদারদেরও দায়িত্ব নিয়ে পার্কিং জোন ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।এদিকে ছোট চারচাকা মালবাহী গাড়ির মালিকদের মধ্যে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। তাঁদের অভিযোগ, বাজারে বেআইনি টোটো ও ইঞ্জিন ভ্যানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কাজ কমে যাচ্ছে। বহু ইঞ্জিন ভ্যানই রেজিস্ট্রেশন, রোড ট্যাক্স, ইন্সুরেন্স, পলিউশন সার্টিফিকেট বা ফিটনেস ছাড়াই রাস্তায় চলছে। পুরনো বাতিল চারচাকা গাড়ির ইঞ্জিন বসিয়ে এই যান তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। রক্ষণাবেক্ষণের খরচ না থাকায় এসব ইঞ্জিন ভ্যান কম ভাড়ায় মাল পরিবহন করছে, ফলে বৈধ ছোট গাড়ির মালিকরা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ছোট মালবাহী গাড়ির ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে এবং অনেককেই বাধ্য হয়ে গাড়ি বিক্রি করতে হবে। সব মিলিয়ে বেপরোয়া যান চলাচল, বেআইনি গাড়ির দাপট ও নিয়ম না মানার প্রবণতা রাস্তায় নতুন করে বিপদের সংকেত দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতাই হল বাঁচার একমাত্র পথ এমনটাই মনে করছেন আরামবাগের অ্যাডিশনাল আরটিও দেবাশীষ সরকার।ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারিই এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার একমাত্র পথ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Loading