সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: আজ ভারতীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতীক ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকার জন্মদিবস। অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগ, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অক্লান্ত লড়াই এবং কোটি কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন ও আত্মমর্যাদার প্রতীক এই তেরঙা আজও প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে দেশপ্রেমের শিখা জ্বালিয়ে রাখে।
১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই গণপরিষদ ভারতের জাতীয় পতাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। এরপর ১৫ আগস্ট স্বাধীন ভারতের আকাশে প্রথমবারের মতো গর্বের সঙ্গে উড়ে ওঠে তেরঙা। গেরুয়া রং সাহস, আত্মত্যাগ ও ত্যাগের আদর্শের প্রতীক; সাদা রং সত্য, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে; সবুজ রং সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও জীবনের প্রতীক। মাঝখানে নীল রঙের অশোকচক্রের ২৪টি দণ্ড ন্যায়, কর্ম, অগ্রগতি ও অবিরাম গতির প্রতীক।
এই পতাকা কেবল একটি কাপড়ের টুকরো নয়; এটি ভগৎ সিং, ক্ষুদিরাম বসু, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং অগণিত বীর শহিদের রক্তে রঞ্জিত স্বাধীনতার ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী। সীমান্তে দেশের সুরক্ষায় নিয়োজিত প্রতিটি জওয়ানের হাতে, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিটি ভারতীয় ক্রীড়াবিদের সাফল্যে এবং প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে তেরঙা গর্বের সঙ্গে উড়ে চলে।
জাতীয় পতাকার জন্মদিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে দেশের সংবিধান, গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করা। তেরঙার মর্যাদা রক্ষা করা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের পবিত্র কর্তব্য।
জয় হিন্দ! বন্দে মাতরম! ভারত মাতার জয়!

![]()

More Stories
ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, ৪–৬০ বছর বয়সীদের জন্য ‘QDENGA’
স্বাধীনতা সংগ্রামী মঙ্গল পান্ডের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি: ১৮৫৭-র প্রথম বিপ্লবের অগ্নিস্ফুলিঙ্গকে স্মরণ
ঘোষণা হল ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, সেরার সেরা ‘আর্টিকেল ৩৭০’