সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: ভারতের প্রাচীন ভাষা ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং গবেষণায় বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। ধ্রুপদী ভাষাগুলির পঠন-পাঠন ও উচ্চতর গবেষণার জন্য পাঁচটি ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে ধ্রুপদী অসমীয়া, ধ্রুপদী বাংলা, ধ্রুপদী মারাঠি, পালি এবং প্রাকৃত ভাষার জন্য এই পাঁচটি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর মধ্যে ধ্রুপদী বাংলার উৎকর্ষ কেন্দ্রটি হবে পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
অন্য চারটি কেন্দ্র তৈরি হবে অসমের তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, পুনের ডেকান কলেজ পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ ওড়িশা এবং সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ গুজরাটে। যথাক্রমে এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ধ্রুপদী অসমীয়া, মারাঠি, পালি এবং প্রাকৃত ভাষার চর্চা ও গবেষণা হবে।
এই উৎকর্ষ কেন্দ্রগুলির মূল লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট ভাষাগুলিতে উচ্চতর গবেষণা ও পঠন-পাঠনের সুযোগ তৈরি করা, প্রাচীন সাহিত্য ও ভাষাসম্পদ সংরক্ষণ এবং ডিজিটাইজেশন করা। পাশাপাশি এই ভাষাগুলির সাহিত্য, জ্ঞান-পরম্পরা ও ঐতিহ্যকে আরও বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার কাজও করবে কেন্দ্রগুলি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাংলা, অসমীয়া, মারাঠি, পালি ও প্রাকৃত—এই পাঁচটি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়। এর ফলে ভারতে ধ্রুপদী ভাষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১টি।
কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগে দেশের পাঁচ রাজ্যে ধ্রুপদী ভাষা নিয়ে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিশ্বভারতীতে ধ্রুপদী বাংলার জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরি হওয়ায় বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্য, পাণ্ডুলিপি, ভাষাতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে চলেছে।

![]()

More Stories
গান্ধী ও শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা, দেশজুড়ে স্বচ্ছতার বার্তা—জিএসআই-এর বিশেষ কর্মসূচি কলকাতায়
ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
মাঝআকাশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ: ভারতীয় পাইলট স্মিথ মচ্ছরের সাহসিকতাকে কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির