বনমহোৎসব পালিত হল গুসকরা উচ্চ বিদ্যালয়ে

সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য দরকার তেত্রিশ শতাংশ। কিন্তু হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ও মূল্যবোধহীন ভোগসর্বস্ব মানুষের সৌজন্যে গাছের পরিমাণ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল। আধুনিক যন্ত্র পরিচালিত জীবনে নিত্য নতুন নগর সৃষ্টির নেশায় পাগল মানুষ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে প্রতিদিন কেটে চলেছে অসংখ্য গাছ। ধ্বংস করে চলেছে অরণ্য। বাস্তবে ইঁটের পরে ইঁট সাজিয়ে তৈরি আকাশ ছোঁয়া বিশাল বাড়ির মাঝে মানুষ যেন অসহায় কীট। সারাদেশের সঙ্গে তার আঁচ এসে পড়ে এই রাজ্যেও। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক গাছ কেটে নেওয়ার ফলে একটা সময় সেটা কমতে কমতে বনভূমির আয়তন সতের শতাংশে এসে পৌঁছে যায়। আধুনিক নগরজীবনে ক্লান্ত বিধ্বস্ত কবিও একদিন ব্যাকুল হয়ে ‘সে অরণ্য’ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। অবশ্য ২০১১ সালের পর থেকে এই রাজ্যে গাছের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে প্রায় ২২ শতাংশ হয়েছে। সৌজন্যে বনমহোৎসব এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্রিয়তা। তাদের উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ শুরু হয়েছে। ঠিক যেমন রোটারি ক্লাব অফ বর্ধমান ডায়মণ্ডের উদ্যোগে ২৭ শে জুলাই গুসকরা পি পি ইন্সটিটিউশনে বনমহোৎসব পালিত হয় । এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্হা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে ১০০ টি চারগাগাছ তুলে দেয়।
শুধু তাই নয় ওরগ্রাম বনদপ্তর থেকেও ৯৫ টি চারাগাছও দেওয়া হয়।

Loading