সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: গত দুই দিন ধরে চন্দননগরের ঐতিহাসিক জগদ্ধাত্রী উৎসবের বিসর্জনের শোভাযাত্রা। বিভিন্ন পূজা মন্ডপ থেকে তাদের প্রতিমা গুলি সুসজ্জিত করে এগিয়ে চলেছে রাজ পথ ধরে। গত দু’বছর এই বিসর্জন পর্ব করো না কালে অনুষ্ঠিত হয়নি কিন্তু আবার পৃথিবীর শান্ত হওয়ায় এখানকার ঐতিহ্যমন্ডিত জগদ্ধাত্রী পুজোর শোভা যাত্রা শুরু হয়ে গেছে। নানা ধরনের ট্যাবলো তাতে নানা নানা বৈদ্যুতিক আলোর কারুকার্য। এখানকার আলোর জাদুকরদের খ্যাতি সারা পৃথিবীতে আজ সমাদৃত। চন্দননগরের আলোর জাদুকরের অপেক্ষা করে থাকে এই দিনটির জন্য তাদের মস্তিষ্কপ্রসূত আলোর জাদু মোহিত করে সাধারণ মানুষকে। চন্দননগরের এই মায়াবী আলোর জাদু দেখতে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় সারা পৃথিবীতে থেকে প্রচুর পর্যটক এই দিনটিতে চন্দননগরে এসে উপস্থিত হন। বিকেল হবার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার দু ধার দখল নিয়ে নিয়েছেন দর্শনার্থীরা। একটা করে প্রসেসন যাচ্ছে উল্লাসে মেতে উঠছেন তারা। তিল ধরনের ঠাঁই নেই। বাড়ির ছাদ বারান্দা গুলিতেও সব পথ মিশে গেছে স্ট্যান্ড রোডের বিসর্জন ঘাটের কাছে।এদিকে আজকের এই বিসর্জন পর্ব যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে তার জন্য পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে সারা চন্দননগর জুড়ে যাতে কোনো রকম কোনো অপ্রীতকর ঘটনা না ঘটতে পারে ।এর সঙ্গে সঙ্গে ড্রোনের ও সাহায্য নেয়া হচ্ছে। ড্রোন থেকে এই শোভাযাত্রার গতিপথ গুলি লক্ষ্য করা হচ্ছে। বিসর্জন ঘাট গুলিতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেয়া হয়েছে গঙ্গা জুড়ে চলছে টহল। সামনে দিয়ে একের পর এক প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য যখন গঙ্গার ঘাটের দিকে যাচ্ছে তখন এখানকার মানুষের একটাই প্রার্থনা মা সামনে বার আবার তুমি এসো, আমাদের সকলকে ভালো রেখো। সকলের সংসারে সুখ-সমৃদ্ধিতে যেন ভরে ওঠে।
![]()

More Stories
চাকরি ছাড়লেন ভুয়ো তপশিলি জাতি শংসাপত্রের অভিযোগ থাকা সহকারী অধ্যাপক হৃদয় দালাল, প্রশাসনিক তদন্তের মাঝেই পদত্যাগ
তারকেশ্বরে জনসমুদ্র, ৭০ পেরোনো মায়া দেবীর পদচারণায় ধরা পড়ল আশার গল্প
‘গরিবের পোস্ত’ তিল চাষে আশার আলো, তবে আগাছার দাপটে চিন্তায় কৃষক