সোমালিয়া সংবাদ, খানাকুল: এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম শেখ মইনুদ্দিন। বাড়ি খানাকুলের বালিপুর এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তৃণমূলের অভিযোগ, মইনুদ্দিন দুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পাশের গ্রামে একটি নিমন্ত্রণ বাড়িতে খেতে যাচ্ছিলেন। তখনই রাস্তায় দশ-বারোজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। রড ও লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে। তিনি গুরুতর জখম হন। এরপর বেশ কিছুক্ষণ তিনি ঘটনাস্থলে পড়েছিলেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় খানাকুল থানার পুলিশ। তাঁরাই তাঁকে উদ্ধার করে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মইনুদ্দিনের মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে। সাত-আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এ বিষয়ে মইনুদ্দিনের বন্ধু শেখ সুরজ জানান, ওই দুষ্কৃতীরা সকলেই বিজেপি আশ্রিত। মইনুদ্দিন তৃণমূল করে। তাই তাকে মারধর করা হয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে তাকে দেখতে যান পুরশুড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দিলীপ যাদব, তৃণমূল নেতা রাজেশ চৌধুরি, পলাশ রায় প্রমুখ। তাঁরা আহতের পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে দিলীপ যাদব বলেন, বিজেপি সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে। ওরা জানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবে না। তাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। কিন্তু মানুষ নির্বাচনে এর যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে। যদিও বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। ওরা বিজেপির নামে মিথ্যা বদনাম দিচ্ছে।
![]()

More Stories
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল বেঙ্গাই অঘোরকামিনী চন্দ্র প্রকাশ চন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের যাত্রী প্রতীক্ষালয়, সংস্কারের দাবি ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয়দের
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্টার প্রদর্শনের অভিযোগে শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে আরামবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ
‘বর্তমানে তৃণমূলের অস্তিত্ব নেই, অভিষেকই ভরাডুবির ১০০ শতাংশ দায়ী, বিজেপি যদি ডাকে পা বাড়াতে দ্বিধা করব না’— বিস্ফোরক গোঘাটের বর্ষীয়ান নেতা মনোরঞ্জন পাল