“বজ্রাহত হবার থেকে রক্ষা পাবার জন্য নিচে লেখা বিষয়গুলো মেনে চলা দরকার। শুধু সচেতনতাই পারে অনেক জীবন বাঁচাতে” সৌজন্যে: এস.ডি. পি.ও আরামবাগ
বজ্রপাতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা—-
বজ্রাহত হবার থেকে রক্ষা পাবার জন্য নিচে লেখা বিষয়গুলো মেনে চলা দরকার। শুধু সচেতনতাই পারে অনেক জীবন বাঁচাতে।
১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বারান্দার গ্রিল, বাড়ির ধাতব কল, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
২. বজ্রপাতের সময় বারান্দায় বা বাইরে দাঁড়িয়ে মোবাইলে কথা বলবেন না।
৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
৪. বাড়িতে থাকাকালীন সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে থাকুন এবং পারলে কাঠের তৈরী খাট বা চৌকির উপরে বসে থাকুন।
৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেবেন না। গাছের থেকে দশ হাত দূরত্ব বজায় রাখুন।
৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।
৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াসিং মেসিন এর প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।ইনভার্টার টিকে বাঁচানোর জন্য বজ্রপাতের সময় বাড়ির মেন সুইজ অফ করুন।
বজ্রপাতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা
৮. বজ্রপাতের সময় লঞ্চে বা নৌকায় ভ্রমণ করবেন না।
৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।
১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা
পরে বাইরে বের হতে পারেন।
১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন। গবাদি পশুকে আগেভাগেই নিরাপদ
জায়গায় এনে রাখুন।
১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
২০. বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎবাহী তারের থেকে দূরে থাকুন।
২১. বজ্রপাতের সময় সম্ভব হলে কোনো ঘরের ভিতর আশ্রয় নিন।ভালো হয় কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নিতে পারলে।
![]()

More Stories
কয়লা পাচার কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গে ইডির তল্লাশি অভিযান, দুর্গাপুর ও বুদবুদে হানা
দিল্লিতে রাজ্য পুলিশের বাড়তি টিম, ২২ জনের দল রাতের বিমানে রওনা
লোকভবনে রাজ্যপালের কাছে SIR সংক্রান্ত দাবিপত্র বিজেপি বিধায়কদের