সোমালিয়া ওয়েব নিউজ এক টানা বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল একমাত্র আশ্রয় স্থল প্রশান্ত বাবুর মাটির বাড়ি।অভিযোগ গ্রামে জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকার কারণেই আশ্রয় হীন হয়ে পড়লেন তিনি। দীর্ঘ তের বছর ধরে সরকারি ভাবে আবাসন প্রকল্পে আবেদন করেও মেলেনি ঘর।আবার এই গ্রামের নাম সরকারি খাতায় না থাকায় আদাও কোনো সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন কিনা দুশ্চিন্তায় আশ্রয় হীন প্রশান্ত বাবু। তারাকেশ্বরের ভঞ্জীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুন গ্রামের বাসিন্দা প্রশান্ত মাইতির ঘর ভেঙে পড়ে একটানা বৃষ্টির জমা জলে।একমাত্র আশ্রয় মাটির ঘরটি ভেঙে পরায় কোথায় থাকবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রশান্ত মাইতি। গত রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পরে তার মাটির ঘর, সেই সময় তিনি তার পরিবারের সদস্যরা ওই ঘরেই ঘুমিয়ে ছিলেন।ঘর ভেঙে আতঙ্কে বাইরে বের হন স্বপরিবারে।রাত টুকু আশ্রয় নেন পাশের বাড়িতে।সকালে উঠেই পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে আবেদন করে এসেছেন যাতে কোনো রকমে বাড়িতে থাকার মত ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় তাকে। যদিও তিনি জানেন এই গ্রামে নেই কোনো ড্রেনের ব্যবস্থা, গ্রামের বৃদ্ধার পান না সরকারি ভাতা এমনকি আবাসন প্রকপ্লে কেউই পায়নি কোনো ঘর।কারণ এই গ্রামের নাম নাকি সরকারি খাতায় নথিভুক্ত নয়। যদিও পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ মাঝি জানিয়েছেন দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ওনার ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে ।প্রশাসনের তরফ থেকে আপাতত ত্রিপলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।আর ড্রেনের কাজ শুরু হলেও অজানা কারণে থমকে আছে তাই নতুন গ্রামের মানুষ অসুবিধায় পড়ছে বলে স্বীকার করে নেন।এবং সরকারি খাতায় এই গ্রামের নাম না থাকার কারণেও অনেক সরাকরি প্রকল্প থেকে এই গ্রাম বঞ্চিত বলে স্বীকার করেন তিনি।বার বার তিনি নিজেও ব্লক অফিসে আবেদন করেছে এই সমস্যা সমাধরের জন্য।যদিও দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে খুব তাড়াতাড়ি গ্রামের মানুষের সব সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন।
![]()

More Stories
আরামবাগ শহরজুড়ে বেহাল রাস্তা: গর্ত, পাথর উঠে বিপজ্জনক চলাচল—দুর্ঘটনার আশঙ্কা রামকৃষ্ণ সেতুর স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ, মার্চের মধ্যে কাজ শেষের আশ্বাস পিডব্লিউডি-র
আরামবাগে টেরাকোটার প্রাচীন মন্দিরগুলি ধ্বংসের মুখে
খানাকুলের গর্ব প্রদীপ্ত বাগ: ডব্লিউবিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে ডিএসপি পদে মনোনীত