সোমালিয়া সংবাদ, খানাকুল: খানাকুলে বন্যার জল কমতে শুরু করলেও বৃহস্পতিবার সকালের মুষলধারে বৃষ্টি এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে। বন্যাকবলিত খানাকুলে বিভিন্ন এলাকায় এখন পানীয় জলের হাহাকার। আর তা পূরণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানীয় জলের প্যাকেট তৈরি করা হচ্ছে। আরামবাগ মহকুমা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ জানালেন, প্রতিদিন প্রায় ৬৫ থেকে ৭০হাজার প্যাকেট তৈরি করে বন্যা কবলিত খানাকুল এলাকায় তা নৌকায় করে পাঠানো হচ্ছে। প্রশাসনের পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীরা দুর্গত এলাকাগুলিতে ত্রাণ ও রান্না করা খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ধান্যঘোড়ী, মাড়োখানা, জগতপুর, সাবলসিংহপুর ইত্যাদি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। সেখানকার বেশিরভাগ গ্রাম এখনও জলমগ্ন অবস্থায়। তাদেরকে বিদ্যুৎহীনভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বেশিরভাগ বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলমগ্ন থাকায় নিরাপত্তার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। এদিন আরামবাগ মহকুমা শাসক হাসিন জাহেরা রিজভী স্পিডবোটে করে মাড়োখানা এলাকা পরিদর্শন করেন।
![]()

More Stories
আরামবাগ শহরজুড়ে বেহাল রাস্তা: গর্ত, পাথর উঠে বিপজ্জনক চলাচল—দুর্ঘটনার আশঙ্কা রামকৃষ্ণ সেতুর স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ, মার্চের মধ্যে কাজ শেষের আশ্বাস পিডব্লিউডি-র
আরামবাগে টেরাকোটার প্রাচীন মন্দিরগুলি ধ্বংসের মুখে
খানাকুলের গর্ব প্রদীপ্ত বাগ: ডব্লিউবিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে ডিএসপি পদে মনোনীত