সোমালিয়া সংবাদ, আরামবাগ: বাঙালি সবসময়ই হুজুগে জাতি হিসেবে পরিচিত। আর তা যে ভুল নয়, কোন একটা বিশেষ ‘দিবস’ এলেই তার প্রমাণ মেলে। ঘটা করে সেই দিনটি পালনে সদলবলে সকলে নেমে পড়ে। বর্তমানে তো আবার অনলাইনের যুগ। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা, স্ট্যাটাস দেওয়া সবকিছুই একেবারে হুমড়ি খেয়ে পড়ার মতো। তা সে মাতৃ দিবসই হোক বা পিতৃ দিবসই হোক। প্রতিবারই একই ছবি দেখা যাচ্ছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনেও তার ব্যতক্রম নয়। তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে শুরু করে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই দিনটি বাংলা তথা ভারত এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হয়ে থাকে। যাঁরা বিশ্বকবিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, বরণ করেন তাঁদের নিয়ে বলার কিছু নেই। কিন্তু দেখা যায় সারাবছর যে সমস্ত ছেলেমেয়েরা রবীন্দ্রসংস্কৃতির বিরোধী সংস্কৃতিকেই বেশি আঁকড়ে ধরে থাকে তারাও মেতে ওঠে এই দিনটিতে। যেন তাদের থেকে বড় রবীন্দ্র-অনুরাগী আর কেউ নেই। কিছু কিছু ক্লাবের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা যায়। বছরের অন্যান্য সময় ডিজে বক্স চালিয়ে মদ-মাংসের ভুরিভোজ হলেও এই দিনটিতে তারা যেন আপাদমস্তক রবীন্দ্রভক্ত। অন্তত এই বিশেষ দিনগুলোতে তাদেরকে একটু অন্যরকম ভাবে দেখা যায়। কিন্তু সত্যিই যদি তারা সংস্কৃতিকে ভালোবেসে হুজুগে মেতে উঠতো তাহলে হয়ত এই বাংলার তার নিজস্ব সংস্কৃতিকে কোনদিন হারানোর আশঙ্কা থাকত না।
![]()

More Stories
পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় দণ্ডিত রশিদ খানের মুক্তিতে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ
কলকাতার নামকরণে নতুন ভাবনা: কার্তিক মহারাজের নেতৃত্বে ঐতিহ্যের পুনর্মূল্যায়ন