সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: গরীব গ্রাম, তার উপর দুর্গাপুজোর মত ব্যয়বহুল পুজো – সামলানো যাবে কি করে? চরম দুশ্চিন্তা। প্রত্যেকেই নিজেদের সাধ্যমতো চাঁদা দিয়ে অনাড়ম্বর পরিবেশে শুরু হয় পুজো। কোনোরকমে একটা অস্হায়ী চালা করে তার নীচেই রাখা হয় ‘মা’-কে। তাতে কিন্তু গ্রামের বাসিন্দাদের আনন্দের কোনো ঘাটতি থাকেনা। যতইহোক নিজেদের গ্রামের পুজো। এ এক আলাদা আনন্দ।ধীরে ধীরে অনেক পরিবর্তন আসে। নিজস্ব জায়গা কিনে গড়ে ওঠে দুর্গা মন্দির। পুজো পরিচালনা করার জন্য গড়ে ওঠে সুন্দরপুর সুকান্ত ক্লাব ও সৃজনী সাংস্কৃতিক সংস্থা। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় তাদের হাত ধরে পুজো সত্যিকারের সার্বজনীন হয়ে ওঠে। সবাই মেতে ওঠে আনন্দে। শুরু থেকেই এখানে একপাটায় থাকেন ‘মা’, অসুর ও মহিষ। আলাদা আলাদা পাটায় থাকে সন্তানসন্ততিরা। নিয়ম মেনে সপ্তমীতে ঘট আনা হয়। প্রায় সমস্ত গ্রামবাসী ঘট আনার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। এটাও এক বিরল দৃশ্য। এখানে বৈষ্ণব মতে পুজো হয়। ফলে ছাগ নয় অষ্টমীতে বলি হয় চালকুমড়ো ও আখ। দশমীতে আট থেকে আশি- ছেলে মেয়ে প্রত্যেকেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে। তবে সেটা কখনোই বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয় না।
![]()

More Stories
ফেসবুক পোস্টে বিস্ফোরক অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির, ‘ছদ্মবেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা’
প্রণাম পশ্চিমবঙ্গবাসী”—বিজয়ের পর কৃতজ্ঞতা ও অঙ্গীকারের বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর
ভয়, তোষণ ও অনুপ্রবেশ রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষের জবাব”—বিজয়ের পর বার্তা অমিত শাহ-এর