সোমালিয়া সংবাদ, পুরশুড়া: ইচ্ছা থাকলে অসহায় মানুষদের জন্য ভালো কাজ করা যায় তার জন্য কখনও কোনো বাধাই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। যেমনটিি করে দেখালেন হুগলির বাহিরখন্ডের সন্দীপন বেমাল। সন্দীপনবাবু পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু বরাবরই তিনি যতটা সম্ভব দুঃস্থ মানুষদের পাশে থাকেন নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তাই ছেলে অহর্ষির জন্মদিন উপলক্ষে অসহায় দুঃস্থ শিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে চেয়েছেন। তাই তিনি স্ত্রী তানিয়া দেবীর সঙ্গে আলোচনা করে ইটভাটার শিশুদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। স্থান হিসেবে বেছে নেন পুরশুড়ার ফতেপুর এলাকার একটি ইটভাটা। এখানে বহু শ্রমিক কাজ করেন। তাঁদের এলাকায় প্রায় শতাধিক বাচ্চাও রয়েছে। তাঁরা জেনেছিলেন রোজ দু’বেলা তাদের ভালো করে খাবার জোটে না, পুষ্টিরও অভাব রয়েছে। তাই তাঁরা যোগাযোগ করেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত’ সংগঠনের সঙ্গে। তাদেরকে বিষয়টি জানান সন্দীপনবাবু।
এরপর ওই সংগঠনের পক্ষ থেকেই ইটভাটার দুঃস্থ শিশুদের খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও জরুরী কাজ পড়ে যাওয়ায় এদিন সন্দীপন বাবুরা নিজেরা আসতে পারেননি। তবে সব কিছু যথাযথ আয়োজনের জন্য কয়েকজন বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়া আয়োজক সংগঠনের সদস্যরাও ছিলেন। ভাত, মুরগির মাংস, বাঁধাকপির তরকারি, চাটনি, পায়েস, রসগোল্লা ইত্যাদি অত্যন্ত তৃপ্তি করে খেলো শ্রমিকদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। এছাড়া তাদের সকলের হাতে একটি করে চকলেটও তুলে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সংগঠনের অন্যতম প্রতিনিধি রথীন ভৌমিক বলেন, এভাবে যদি অন্যান্য মানুষজনও নিজেদের সন্তানদের জন্মদিনে দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ান তাহলে তাদের মুখে একটু হাসি ফুটে ওঠে। আর সেই উৎসবের আয়োজনও অনেক বেশি সুন্দর হয়ে ওঠে।
![]()

More Stories
ফুরফুরা পঞ্চায়েতে জট কাটল, ৫ বিজয়ীকে শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সহযোদ্ধার বিদায়, নিভে গেল এক নীরব শক্তির প্রদীপ—প্রয়াত গোঘাটের মনোরঞ্জন পালের স্ত্রী শোভা পাল
ভুলতে বসা সুরের মানুষ— শেষ গান ‘ওগো বন্ধু বিদায়’ আজও ভাসায় চোখের জল”