সোমালিয়া সংবাদ, গোঘাট: লটারি টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন এক লরি চালক। ওই লরি চালকের নাম স্বপন রায়। বাড়ি ভাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে। বাড়িতে স্ত্রী ছাড়াও দুই মেয়ে রয়েছে। আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। লরি চালিয়ে যা উপার্জন হয় তাই দিয়ে সংসার চলে। তবে লটারির টিকিট কাটার একটা নেশা বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছে। তাই মাঝে মাঝেই তিনি সুযোগ পেলেই লটারির টিকিট কাটেন। কয়েকবার ছোট অংকের টাকাও পেয়েছেন। কিন্তু তাই বলে একেবারে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাবেননি। একইভাবে শুক্রবার সকালে নাগাল্যান্ড সরকারের ডিয়ার লটারি মর্নিং-এর ৫ সেমের খেলার টিকিট কেটেছিলেন। কিছুক্ষণ পর রেজাল্ট বের হতেই দেখেন তিনি কোটিপতি হয়ে গেছেন। তখন কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে জানান গোঘাট থানার পুলিশের কাছে। তিনি নাকি নিরাপত্তাও চান। এর পরেই পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে, তিনি মদিনার অমৃতা লটারি সেন্টার থেকে টিকিট কিনেছিলেন। আরামবাগের মিঞাপাড়ার নীলকমল এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট নিয়ে যায় অমৃতা লটারি সেন্টার। নীলকমল এজেন্সির কর্ণধার সেখ রুহুল আমিন জানান, গত দু’বছরে তাঁদের টিকিটে সাতজন কোটিপতি হয়েছেন। এছাড়াও লাখোপতি তো অনেকই হয়েছেন। অনেক সেলারই তাঁদের কাছ থেকে টিকিট নিয়ে যান। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার আরামবাগ গৌরহাটি মোড়ের একটি লটারি সেন্টার থেকে টিকিট কেটে আরও একজন কোটিপতি হয়েছেন। তাই পরপর আরামবাগ মহকুমার দু’জন ব্যক্তি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন।
![]()

More Stories
ফুরফুরা পঞ্চায়েতে জট কাটল, ৫ বিজয়ীকে শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সহযোদ্ধার বিদায়, নিভে গেল এক নীরব শক্তির প্রদীপ—প্রয়াত গোঘাটের মনোরঞ্জন পালের স্ত্রী শোভা পাল
ভুলতে বসা সুরের মানুষ— শেষ গান ‘ওগো বন্ধু বিদায়’ আজও ভাসায় চোখের জল”